প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :     প্রথমবারের মতো ভারতের উইমেন্স লিগে খেলতে গিয়ে মাঠ মাতিয়ে এসেছেন বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন। তার দল তামিলনাড়ু সিথু এফসি সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিয়েছে। কিন্তু দলকে সেমিতে তোলার একক কৃতিত্বই সাবিনার। ৭ ম্যাচে সিথু এফসির ১১ গোলের মধ্যে ৭টিই করেছেন তিনি। তাইতো আগামী মৌসুমের জন্য সাবিনাকে আগাম বুকিং দিয়ে রেখেছে দক্ষিণী ক্লাবটি।

 

ভারতের লিগ মাতিয়ে নববর্ষের দিন দেশে ফিরেছেন সাবিনা। এর আগে মালদ্বীপের ঘরোয়া লিগেও খেলেছেন তিনি। তার সঙ্গী হয়ে ভারতে যাওয়া আরেক তারকা কৃষ্ণা রানী সরকার বিদেশী কোটায় তেমন সুযোগ পাননি। সাবিনার কারণে ইংল্যান্ডের তারকাকেও মাঠের বাইরে বসে থাকতে হয়েছে। তাদের সঙ্গে দুই মাসের চুক্তি ছিল সিথু এফসির। দলের সঙ্গে প্রায় ২০ দিন অবস্থান করলেও দুই মাসের বেতনই পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন সাবিনা।

দেশে ফিরেই সংবাদমাধ্যমের সামনে মেয়েদের ঘরোয়া লিগের দাবি তোলেন অধিনায়ক সাবিনা। আশ্চর্য হলেও সত্য যে, মেয়ে ফুটবলাররা একের পর এক আন্তর্জাতিক সাফল্য এনে দিলেও তাদের জন্য কোনো ঘরোয়া লিগের আয়োজন করছেনা বাফুফে! ঘরোয়া লিগ হলে ফুটবলারদের আয়েরও একটা ব্যাপার থাকে। যা উৎসাহ জোগায় মাঠের পারফর্মেন্সে। কিন্তু গোলাম রব্বানী ছোটনের শিষ্যদের দেশে উপার্জনের পথ বন্ধ।

ভারতে খেলতে গিয়ে মালদ্বীপের চেয়ে বেশি টাকা পেয়েছেন উল্লেখ করে সাবিনা বলেন, ‘আমি সাবিনা সব সময় টাকার জন্য খেলি না। বিদেশে খেলতে গেলে দেশের সম্মান বাড়ে, সঙ্গে আমার সম্মানও বাড়ে। তাই খেলি। এ ছাড়া ভালো করতে পারলে ভবিষ্যতে আমাদের চাহিদা বাড়বে। সে চিন্তাও করি।’

সাবিনারা দেশের চিন্তা করছেন, সাবিনাদের দিকে কি আরেকটু যত্নশীল হবে বাফুফে?