প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :     কিউবার নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন মিগেল দিয়াস-কানেল। রাউল ক্যাস্ত্রোর স্থালাভিষিক্ত হয়েছেন তিনি।

 

গত এক দশক ধরে দেশ পরিচালনা করা ৮৬ বছর বয়সী রাহুল সম্প্রতি ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

উদ্বোধনী ভাষণে মিগেল বলেন, তিনি উল্লেখযোগ্য ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে কিউবা বিপ্লবের গুরুত্ব ধরে রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে চান।

তার আমলে কিউবার পররাষ্ট্র কৌশল ‘অপরিবর্তিত থাকবে’ এবং জরুরি প্রয়োজনে কোনো পরিবর্তন আনতে হলে শুধুমাত্র কিউবার জনগণই সে সিদ্ধান্ত নেবে।

তবে রাউল প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরে গেলেও ২০২১ সালের পরবর্তী কংগ্রেস পর্যন্ত কিউবার কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান থাকবেন তিনি। ফলে সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রেও তার গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব থাকবে বলে ধারণা পর্যবেক্ষকদের।

কাস্ত্রো ভ্রাতৃদ্বয়ের পর মিগেলই হলেন একদলীয় সোশালিস্ট রাষ্ট্র কিউবার নতুন প্রেসিডেন্ট, যার হাতে ক্ষমতা সঁপে দিয়ে নিশ্চিন্ত হতে চাইছেন কিউবা বিপ্লবের সময় সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া গেরিলা প্রজন্ম।

তুলনামূলক তরুণ এ নেতাকে রাউলের শুরু করা অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়াসহ প্রবৃদ্ধি বাড়ানো এবং ট্রাম্প প্রশাসনের নানামুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে বলে ধারণা করছেন পর্যবেক্ষকরা।

১৯৬০ সালে জন্ম নেওয়া মিগেল তরুণ বয়সেই যোগ দেন সান্তা ক্লারার ইয়াং কমিউনিস্ট লীগে। স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে তড়িৎ প্রকৌশল পড়ানোর সময় থেকে তার বিকাশ দৃশ্যমান হতে থাকে। ৩৩ বছর বয়সে তিনি ইয়াং কমিউনিস্ট লীগের দ্বিতীয় সম্পাদক নির্বাচিত হন।