প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :   বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সুচিকিৎসার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসনকে অবিলম্বে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে পাঠানোর দাবিও জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ শনিবার সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন। জিয়া এতিমখানা দুর্নীতির মামলায় ৫ বছরের দণ্ড নিয়ে গত ফেব্রুয়ারি থেকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন সড়কের পুরনো কারাগারে বন্দি আছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা।

 

তিনি বলেন, কারাগারে খালেদা জিয়াকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না। মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশ অনুযায়ী তাকে অর্থোপেডিক বেড দেয়া হয়নি। পছন্দ মতো চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ দিতে অবিলম্বে বিএনপি চেয়ারপারসনকে মুক্তি দেয়ার আহ্বান জানান তিনি। বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, মিথ্যা সাজানো মামলায় খালেদা জিয়াকে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে তাকে এবং তার দলকে রাজনীতি থেকে দুরে সরিয়ে দেয়া।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য কারাগারে ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে বলে আমরা যে খবর পাচ্ছি তাতে জাতি উৎকণ্ঠিত। শুক্রবার তার পরিবারের সদস্যরা সাক্ষাৎ করতে পারেননি। তার আগে ১৮ এপ্রিল আমিসহ মির্জা আব্বাস ও নজরুল ইসলাম খানকে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। ফখরুল বলেন, প্রায় ১০ দিন যাবৎ পরিবারের সদস্যবৃন্দ এবং দল দেশনেত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পায়নি। এতে করে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

আমরা জানতে পেরেছি, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য কারাগারে ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে বলে আমরা যে খবর পাচ্ছি। সারা দেশ, জাতি এবং আমরা উৎকণ্ঠিত। সরকারকে বলব, এখনও সময় আছে, অবিলম্বে দেশনেত্রীকে মুক্তি দিয়ে তাকে তার পছন্দনীয় চিকিৎসক দ্বারা এবং বিশেষায়িত হাসপাতাল ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন। অন্যথায় দেশনেত্রীর স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটলে তার দায়-দায়িত্ব পুরোটাই সরকারকে বহন করতে হবে।