প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :     নিয়মিত অ্যান্টি এজিং ডিভাইসের ব্যবহারে মুখে বয়সের দাগ মিলিয়ে যাবে। আর তার জন্য পার্লার বা স্পাতে যেতে হবে না। বাড়িতে নিজেই ব্যবহার করতে পারবেন এই গ্যাজেটটি।

 

অ্যান্টি এজিং ডিভাইস অনেক রকমের হয়। এক একটি ব্র্যান্ডের এক এক রকমের নাম। তাই এই ধরনের কোনও গ্যাজেট কেনার সময় ভালো করে দেখে নেবেন তাতে রেড লাইট থেরাপির ব্যবস্থা আছে কি না।

কারণ রেড লাইট থেরাপির মাধ্যমেই কিন্তু রিঙ্কলের চিকিৎসা করা হয়। এই ধরনের গ্যাজেট অনেক সময় ব্যাটারি চালিতও হয় আবার চার্জেবলও হয়। যদি ব্যাটারিচালিত ডিভাইস হয়, তাহলে খেয়াল রাখতে হবে একটা ব্যাটারিতে কতদিন গ্যাজেটটি ব্যবহার করা যাবে।

অ্যান্টি এজিং ডিভাইস ব্যবহার করার আগে ভালো করে মুখ পরিষ্কার করে নিন। এরপর কোনও অ্যান্টি এজিং সিরাম লাগিয়ে নিন। সাধারণত এই ধরনের বিউটি গ্যাজেট কেনার সময়েই তার সঙ্গে অ্যান্টি এজিং সিরাম দিয়ে দেওয়া হয়।

এরপর গাজেটটির নির্দিষ্ট বোতাম চালু করে ধীরে ধীরে মুখে মাসাজ করে নিন। কীভাবে মাসাজ করতে হবে, সেটা ব্যবহার বিধি দেখে আগেই জেনে নিন। কারণ মুখের অন্যান্য জায়গায় যেভাবে মাসাজ করবেন, চোখের চারপাশে মাসাজের পদ্ধতি তার চেয়ে আলাদা। যতক্ষণ না সিরাম ত্বকে মিলিয়ে না যাচ্ছে ততক্ষণ মাসাজ চালিয়ে যেতে হবে। তবে সাধারণ ভাবে মোটামুটি পাঁচ থেকে দশ মিনিট মাসাজ করাই নিয়ম। কত দিন অন্তর এই গ্যাজেটটি ব্যবহার করতে হয়, সেটাও ব্যবহার বিধি পড়ার সময় খেয়াল রাখবেন।