প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :    কারাগারকে সংশোধনাগারে পরিণত করতে আধুনিক কারা আইন ও পরিবর্ধিত কারাবিধি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

 

শনিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকারি আইন সহায়তা কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়নের জন্য সর্ব প্রথম প্রয়োজন জনসচেতনতা। সরকারি আইন সহায়তা কার্যক্রমের সাফল্য নির্ভর করছে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা ও জনমত সৃষ্টির উপর।

‘কেননা এখনও এদেশের জনগণের একটি অংশ দরিদ্র ও নিরক্ষর। এই দরিদ্র ও নিরক্ষর জনগণ তাদের আইনগত অধিকার সম্পর্কে ততটা সচেতন নয়। এজন্য প্রয়োজন জনসচেতনতা। তাহলেই কেবল লিগ্যাল এইডের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।’

আইনগত সহায়তার পাশাপাশি ন্যায় বিচার দিতে দক্ষ ও স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘সেই ইচ্ছাকে বাস্তবরূপ দেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ আদালত থেকে অধস্তন আদালত পর্যন্ত সকল বিজ্ঞ বিচারকের বেতন ও সুবিধা বৃদ্ধি করা হয়েছে।’

‘আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার পেতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে আইনী সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া এসিডদগ্ধ নারী-পুরুষ, বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্ত মহিলা, বিনা বিচারে আটক ব্যক্তি, প্রতিবন্ধী, পাচারকৃত নারী বা শিশুসহ নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার পেতে অক্ষম যেকোনো নাগরিককে সম্পূর্ণ সরকারি অর্থ ব্যয়ে আইনগত সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।’

পরে আইনমন্ত্রী জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত মেলা পরিদর্শন করেন।

আইন সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক ও লিগ্যাল এইডের পরিচালক মো. জাফরোল হাছান।