প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :    এমন ধরনের বিদ্যুৎকেন্দ্র এটাই বিশ্বে প্রথম। অন্যান্য বিদ্যুৎকেন্দ্রকে একটি নির্দিষ্ট স্থানে বসাতে হয়। এরপর বিদ্যুৎ উৎপাদন করে সেখান থেকে তার টেনে বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ পাঠানো হয়। কিন্তু এ বিদ্যুৎকেন্দ্র তেমন নয়। এটি নিজেই চলে যায় যেখানে বিদ্যুৎ প্রয়োজন- সেখানে।

 

সম্প্রতি রাশিয়া অ্যাকাডেমিক লমনোসভ নামে ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নির্মাণ শেষ করেছে।

পরিবেশবাদীরা অবশ্য এ বিদ্যুকেন্দ্রটিকে অত্যন্ত বিপজ্জনক বলছেন। আর এজন্য এর নাম তারা দিয়েছেন ‘ভাসমান টাইটানিক’ ও ‘ভাসমান চেরনোবিল’।

গত শনিবার ভাসমান পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রটিকে দেখা যায় প্রথমবারের মতো যাত্রা শুরু করতে। নিজস্ব ইঞ্জিনে নয়, কয়েকটি টাগবোট একে টেনে নেয়।

ভাসমান এ পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রটিকে রাশিয়া মোতায়েন করবে উত্তর মেরুর নিকটবর্তী অঞ্চলে। সেখানে পেভেক পোর্টে ২০১৯ সাল থেকে বিদ্যুতের চাহিদা মেটাবে বলে জানা গেছে। একবার জ্বালানি নিয়ে তিন বছর বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায় এ ধরনের বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে। এটি ৩০০ মেগাওয়াট তাপ বা ৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে।

রাশিয়ার এ ভাসমান পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পরিবেশবাদীদের ব্যাপক সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে। যে কোনো দুর্ঘটনায় এটি মারাত্মক তেজস্ক্রীয়তা সাগরের পানিতে ছড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

সমালোচনার পরেও রাশিয়া এ প্রযুক্তি নিয়ে আরো এগিয়ে গেছে। প্রথমটির পরে আরো একটি ভাসমান পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র বানানোর পরিকল্পনা করেছে তারা। এটি ভিন্ন কোনো দেশের কাছে বিক্রি করা হতে পারে।