প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :       কলার মধ্যে রয়েছে প্রচুর গুণ ৷ একটা কলা খেলেই শরীর থাকবে চাঙ্গা ৷ তাই রোজ খাদ্য তালিকায় রাখুন কলা ৷

 

 

 

-কলা একটি আঁশযুক্ত ফল। এটি হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে থাকে। হজমের সমস্যা দূর করতে প্রতিদিন একটি করে কলা খান।

 

 

-শরীরে হিমোগ্লোবিন ও ইনসুলিনের জন্য প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন-বি৬ প্রয়োজন। আর কলাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-বি৬ আছে, যা দেহে পুষ্টি জুগিয়ে থাকে।

 

 

 

 

-প্রতিদিন ১টি করে কলা খেলে আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে রাখতে সাহায্য করবে। যাঁরা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন, তাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কলা রাখুন, দেখবেন রক্তচাপ আপনার নিয়ন্ত্রনে চলে এসেছে।

 

 

 

 

-প্রতিদিন ব্যায়াম করার আগে ১ টি কলা খেয়ে নিন। এটি আপনার দেহের রক্তে শর্করার পরিমান ঠিক রাখবে এবং তার সাথে ব্লাড সুগারও নিয়ন্ত্রন করবে।

 

 

 

-কলাতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন আছে। ফলে নিয়মিত কলা খেলে দেহের রক্ত শূন্যতা দূর হয়ে যায়।

 

 

 

 

-কলা ওজন কমাতেও সাহায্য করে থাকে। এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কলা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরার অনুভূতি দিয়ে থাকে। ফলে অন্য কোন খাবার খাওয়ার রুচি ও আগ্রহ থাকে না। যা ওজন কমাতে সাহায্য করে থাকে।

 

 

 

 

-এক গবেষণায় বলা হয়েছে আঁশযুক্ত খাবার কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি কমিয়ে থাকে। প্রতিদিন কলা খান আর হৃদরোগ থেকে দূরে থাকুন।

 

 

 

-শরীরের পেশির সুস্থতার জন্যও কলা বেশ উপকারী। ব্যায়ামের আগে কিংবা পরে কলা খান এটি আপনার পেশীর সমস্যা দূর করবে এবং পায়ের মজবুত পেশী গঠনে সাহায্য করে।

 

 

 

 

-আমরা অনেকই মনে করে থাকি লেবু, আর কমলাতেই শুধু ভিটামিন সি আছে। কিন্তু মজার ঘটনা কলাতেও পাওয়া যায় কিছু পরিমাণে ভিটামিন সি। এছাড়া প্রয়োজনীয় অনেক পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায় কলা থেকে।

 

 

 

 

-কলাতে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম আছে যা বিষণ্ণতা দূর করতে সাহায্য করে। আমরা অনেক সময় বিভিন্ন করাণে বিষণ্ণতায় ভুগে থাকি। এই বিষণ্ণতা দূর করতে কলা অনেক বেশি কার্যকরী।

 

 

 

 

-কলা দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে থাকে। কলাতে প্রচুর পরিমাণের ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন, মিনারেল আছে যা দেহের এনার্জি লেভেল ঠিক রেখে শক্তি বৃদ্ধি করে থাকে। প্রতিদিন সকালের খাবারে ১টি কলা রাখুন এটি আপনাকে সারা দিনে কাজে এনার্জি দেবে ।

 

 

 

 

-কলাতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম আছে যা মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবারহ করে থাকে। এটি দেহের জলের পরিমাণ ঠিক রাখতে সাহায্য করে থাকে।