প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :           আর নয় ট্যাবলেট বা কনডম- সন্তানের জন্ম নিয়ন্ত্রণ করতে আর কতই না পদ্ধতি ব্যকহার করা হয়। মেয়েদের পিল তেকে শুরু করে ছেলেদের ভ্যাসেকটমি, আরো কত কি। হ্যা এবার জন্ম নিয়ন্ত্রণ করতে ভ্যাসেকটমির প্রয়োজন হবে না।

 

 

 

 

সুইচ চাপলেই আর সন্তান ধারণের ভয় থাকবে না। এক্ষেত্রে ছোট একটি ভালভই ভ্যাসাকটমির কাজ করবে। সম্প্রতি একটি জার্মান সংস্থা পুরুষদের জন্য এমনই কনট্রাসেপটিভ আনল।

 

 

 

 

 

সংস্থার তরফে জানান হয়েছে, এই ভালভটি স্পার্মের গতি নিয়ন্ত্রণ করবে। এক ইঞ্চির থেকেও ছোট নতুন এই ভালভটির নাম বিমেক এসএলভি। ওজনে ১ আউন্সেরও কম এই ভালভের দৈর্ঘ্য মাত্র ১.৮ সেন্টিমিটার। মাত্র ৩০ মিনিটেই পুরুষাঙ্গের মধ্যে প্রতিস্থাপন করা যাবে এটি। এবং এটি কাজ করবে একেবারে ভ্যাসাকটমির মতোই।

 

 

 

 

 

ভালভের মধ্যেই থাকবে অফ-অন সুইচও। অন্ডকোষের চামড়ার মধ্যে এই ভালভটি লাগানো থাকবে। প্রয়োজনে ভালভের ‘সুইচ অফ’ করে দেওয়া যাবে। ‘সুইচ অফ’ করলেই নিয়ন্ত্রিত হবে স্পার্মের ফ্লো। আবার সন্তানের জন্ম দিতে চাইলে ‘অন’ করে দিতে হবে ভালভে থাকা সুইচটি। এতে আবার স্বাভাবিক হবে স্পার্মের ফ্লো।

 

 

 

 

 

ভ্যাসেকটমির ক্ষেত্রে স্পার্ম বহনকারী টিউবটি অস্ত্রোপচার করে কেটে ফেলা হয়। ফলে টেস্টিস থেকে স্পার্ম নিঃসরণ বন্ধ হয়। এই পদ্ধতি একটি স্থায়ী বন্ধ্যাত্বকরণ পদ্ধতি।

 

 

 

 

 

অন্য দিকে, এই বিমেক এসএলভি কাজ করে একটি ভালভের মতো। এটি কোনও স্থায়ী পদ্ধতি নয়। ভালভের ‘অফ-অন’ সুইচ ব্যবহার করে ইচ্ছামতো জন্ম নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন পুরুষরা।

 

 

 

 

 

প্রফেশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব জার্মান ইরোলজিস্টের মুখপাত্র উলগ্যাঙ্গ বুমান জানান, ভ্যাসাকটমির ক্ষেত্রে শুক্রাণু পরিবহণের নালিপথটিই কেটে দেওয়া হয়।

 

 

 

 

 

কিন্তু এ ক্ষেত্রে স্পার্মাটিক ডাক্টের মধ্যে এই ভালভটি বসানো হবে। বিমেক এসএলভি-এর ‘সুইচ অফ-অন’ করলে তা স্পার্মের গতি নিয়ন্ত্রণ করবে। বুমান জানাচ্ছেন, ভ্যাসাকটমির মতো স্থায়ী বন্ধ্যাত্বকরণ পদ্ধতি নয় এটি। পুরো ব্যাপারটাই ঐচ্ছিক।