অপরিকল্পিতভাবে আবাদী জমিতে কালর্ভাটের মুখে পুকুর খননের কারনে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে প্রায় ১ হাজার একর জমির বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে,আর এতে করে দিশেহারা হয়ে পড়েছে ঐ এলাকার কয়েকশ সাধারণ কৃষক।সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের ঘোনাপাড়া এলাকার আবাদী জমিতে পনি নিষ্কাশনের জন্য নির্মিত কালর্ভাটের মুখ রোধ করে অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খনন করায় বৃষ্টির পানিতে বোরো ধানের

 

 

 

জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে গেছে। এতে খয়েরবাড়ী ইউনিয়নের নারায়নপুর, লক্ষীপুর, মহাদীপুর, আর্দশগ্রাম, গড়পিংলাই, জয়নগর, বারাই পাড়াসহ বেশ কয়েকটি গামের ফসলি জমিতে ঐ এলাকার প্রায় ১হাজার একর আধাপাকা বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

 

 

ঐ এলাকার ভূক্তভূগি কৃষক মঞ্জুরুল ইসলাম,ভুট্টু মিঞা, সাইদ আলী, ময়েন উদ্দিন, আ:হালিম, আলী হোসেন ও তাজমিলুর রহমান জানান, অপরিকল্পিতভাবে আবাদী জমিতে কালর্ভাটের মুখে পুকুর খনননের কারনে পানিস্কাশন বন্ধ হয়ে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জরুরীভাবে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহন না করলে প্রায় ৩০কোটি টাকারমত ফসলের ক্ষয়-ক্ষতি হবে,ফলে পথে বসতে হবে এলাকার কয়েকশ কৃষককে ।

 

 

এ ব্যাপারে পানি প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী পুকুর খনন কারী দৌলতপুর ইউপি সদস্য হুমাইয়ুন এর সাথে কথা বললে,তিনি বলেন আমি ছাড়াও এ এলাকায় আরো আটটি পুকুর খননের কারনে পানি নিস্কাশনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। আমার পুকুরের পাশ দিয়ে পানিনিস্কাশনের জন্য জায়গা রাখা হয়েছে সেদিক দিয়ে পনিনিস্কাশনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করা হয়েছে।

 

 

বিষয়টি নিয়ে খয়েরবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আবু তাহের বলেন অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খনননের কারনে সৃষ্ট জলবদ্ধতায় কৃষকদের ফসলের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানো হয়েছে তিনি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।এদিকে গতকাল মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুস সালাম চৌধুরী’র সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি মন্ত্রী মহোদয়কে অবগত করা হয়েছে। সরেজমিনে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।