প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :          প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, আগামীকাল কোর্টের রায় যদি রিটকারীর পক্ষে যায় এবং আদালত দিন ধার্য করে না দেয় তাহলে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন ঈদের পর অনুষ্ঠিত হবে।

 

 

 

 

 

আর যদি আদালত ১৫ মে নির্বাচন করতে বলে তাহলে ওইদিনই নির্বাচন হবে। ওইদিন নির্বাচন করার মতো প্রস্তুতি ইসির আছে বলেও জানান তিনি। তবে রায় বিপক্ষে গেলে ইসির কিছু করার নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

 

 

 

 

 

 

আজ বুধবার গাজীপুরে জেলা প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সিইসি।

 

 

 

 

 

তফশিল অনুযায়ী আগামী ১৫ মে গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গত ৬ মে সীমানা সংক্রান্ত জটিলতার কারণ দেখিয়ে করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে গাজীপুর সিটি নির্বাচন ৩ মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট।

 

 

 

 

 

একই সঙ্গে সাভারের শিমুলিয়া ইউনিয়নের ছয়টি মৌজাকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে অন্তর্ভুক্ত করা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- এ মর্মে রুলও জারি করেন আদালত।

 

 

 

 

 

এরপর সিটি করপোরেশন নির্বাচন স্থগিতের বিরুদ্ধে বিএনপির মেয়র প্রার্থী আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করেন।

 

 

 

 

উল্লেখ্য, আদালতে ৬ এপ্রিল রিট আবেদনটি দায়ের করেন সাভার উপজেলার আশুলিয়া থানার শিমুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এ বি এম আজহারুল ইসলাম সুরুজ।

 

 

 

 

৫৭টি সাধারণ ও ১৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড নিয়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশন গঠিত। এখানে ভোটার সংখ্যা ১১ লাখ ৬৪ হাজার ৪২৫ জন।

 

 

 

 

 

গত ৪ মার্চ সিটি করপোরেশনের সীমানা নিয়ে গেজেট জারি হয়। যেখানে শিমুলিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বড়বাড়ী, ডোমনা, শিবরামপুর, পশ্চিম পানিশাইল, পানিশাইল ও ডোমনাগকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।