প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :          স্ত্রীলোকের বয়স অনুযায়ী বিভিন্ন নাম হইয়া থাকে। যথা-তরুনী,যুবতী ,বুড়ীও পাকা বুড়ী। ১৬ বসরের স্ত্রীলোক কে তরুণী বলে। ১৬ হইতে ৩৩ বসরের স্ত্রীলোক কে যুবতী বলে। ৩৩ হইতে ৫০ বসরে স্ত্রী লোককে বুড়ী বলে।

 

 

 

 

৫০ হইতে এর বেশি স্ত্রী লোক কে পাকা বুড়ী বলে। তরুণী স্ত্রী লোককে দর্শন করিলে ও তরুণীর সঙ্গে রমণ করিলে বৃদ্ধ স্বামী ও তরুন হইয়া যায়।

 

 

 

 

মিলন মাধুর্যের মধ্যে দিয়ে স্বামী তরুণী হইতে যে অমিত সুখের স্বাদ গ্রহন করে, তাহা ভাষায় ব্যক্ত করা যায় না। স্বামী আন্তরিক শান্তি ও শারীরিক সুখ লাভ করিয়া তরুণের মতবল সঞ্চয় করে।

 

 

 

 

যুবতী সহজ পাত্রী নহে , তাহার সম-সাস্থ্য সম্পন স্বামী ছাড়া তাহার স্বাদ মিটাইতে পারা যায় না। অতএব, যুবতী স্ত্রীর যুবক হওয়াই বাঞ্ছনীয়। অন্যথায় তাহার নিকট হার মানিতেই হইবে,তবে মাঝে মাঝে সংযম করিলে আর হারিবার আশঙ্কা নাই।

 

 

 

 

 

সংযমী হইয়া যুবতীর সঙ্গে সঙ্গম করিলে বৃদ্ধ ও যুবক হইয়া দাঁড়ায় ।বুড়ীর সঙ্গে সহবাস করিলে তাহার স্বামী যুবক হউক আর বৃদ্ধ হউক, অত্যন্ত দুর্বল হইয়া পড়িবে। পাকা বুড়ীর সঙ্গে সহবাস করা কারো উচিৎ না। থার স্বামী তরুন হলেও বৃদ্ধ হইয়া যায়।

 

 

 

 

ইহার নিপুঢ় রহস্য হইতেছে যে না বুড়ী আনন্দ পায়? না বুড়ীর স্বামী আনন্দ পায়। যুবক হউক আর বৃদ্ধ হউক ,স্বামী-স্ত্রী উভয়েই সমান হওয়া আব্যশক।

 

 

 

 

একজন বালিকা অন্য জন বৃদ্ধ হইলে বা একজন সুস্থ ও অন্যজন রোগা হইলে সেই সংসার সুখের হয়না। তবে ঘতনা চক্রে যদি এইরূপ হইয়া পড়ে, নিম্মলিখিত নিয়ম অবলম্বন করিবেন।

 

 

 

 

 

 

১। তরুণী র সঙ্গে বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ্ ,ভাদ্র, ও আশ্বিনে।

 

 

 

২। যুবতির সঙ্গে পৌষ মাসে,

 

 

 

 

৩। বুড়ীর সঙ্গে আষাঢ় শ্রাবন ও চৈত্র মাসে সহবাস করিলে মিলনের স্বাদ পাইবে। সাস্থ্য ভালো থাকিবে।

 

 

 

 

৪। পাকা বুড়ীর সঙ্গে সহবাস করার আকাঙ্কা না করাই ভালো। তবে একান্তে আকাঙ্কা হইলে দুই একমাস পরপর সহবাস করিতে পারা যায়। তাহাতে সাস্থ্যর কিছু ক্ষতি হইবে না।

 

 

 

 

 

পরিশেষে বলা হইয়াছে হইয়াছে যে,রোগা- কুৎসিত ও নোংরা স্বামী হউক আর স্ত্রী হিউক, যাহার সহিত যাহার সহবাস করিতে ভক্তি ভা হয়,তাহার সহিত ইচ্ছাকৃ্ত বা অনিচ্ছা সত্তেও সহবাস করিলে ফল ভালো হয়না।