প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :           খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক আবারো মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে বিপুল ভোটে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন।

 

 

 

 

 

আজ মঙ্গলবার বিকাল থেকে বিভিন্ন উৎস থেকে কেন্দ্রভিত্তিক ভোটের প্রাপ্ত ফলাফল ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ঘোষিত ফলাফল থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

 

 

 

 

 

 

নৌকা প্রতীক নিয়ে তালুকদার আবদুল খালেক খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) হারানো মসনদ পুনরুদ্ধার করলেন।

 

 

 

 

 

 

এর আগে ২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র ছিলেন তালুকদার আবদুল খালেক। ২০১৩ সালের নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মনিরুজ্জামান মনির কাছে প্রায় ৬১ হাজার ভোটের ব্যাবধানে হেরে যান তিনি।

 

 

 

 

এ নির্বাচনে মোট ৫ জন প্রার্থী মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। অন্য তিনজন হলেন কাস্তে প্রতীক নিয়ে সিপিবির মিজানুর রহমান বাবু, লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে জাতীয় পার্টির শফিকুর রহমান মুশফিক এবং হাতপাখা নিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা মুজাম্মিল হক।

 

 

 

 

সকাল ৮টা হতে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ভোট কেন্দ্রগুলোতে সকাল থেকেই ভোটাররা জড়ো হতে থাকেন। বেশ উৎসবের মেজাজেই ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

 

 

 

 

তবে দশটার দিকে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু অভিযোগ করেন, অন্ততঃ চল্লিশটি কেন্দ্রে হতে তার এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে।

 

 

 

 

 

এজেন্টদের মারধর করা হয়েছে। তিনি জানান, ২২, ২৫, ৩০ ও ৩১ নং ওয়ার্ডে পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

 

 

 

 

 

৩০ নং ওয়ার্ডের রূপসা স্কুল কেন্দ্রে ধানের শীষের এজেন্ট সেলিম কাজীকে মারধর করা হয়েছে। এ ছাড়া নগরীর বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে ধানের শীষের এজেন্টদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

 

 

 

 

 

৩১ নং ওয়ার্ডের হাজি আব্দুল মালেক ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার সামনের নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর করা হয়েছে।

 

 

 

 

খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে পাঁচজন মেয়র প্রার্থী, সংরক্ষিত ১০টি ওয়ার্ডে ৩৯ জন এবং ৩১টি সাধারণ ওয়ার্ডে ১৪৮ জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

 

 

 

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মোট ভোটার চার লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ দুই লাখ ৪৮ হাজার ৯৮৬ ও নারী দুই লাখ ৪৪ হাজার ১০৭ জন।

 

 

 

 

 

ভোটকক্ষ এক হাজার ১৭৮টি। ভোটকেন্দ্র ও ভোটকক্ষে দায়িত্ব পালন করেন চার হাজার ৯৭২ জন কর্মকর্তা।