প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :        রমজানের চাঁদ দেখার পর- হিজরি ১৪৩৯ সনের পবিত্র রজমান মাস শুরু তারিখ নির্ধারণ করতে আগামীকাল বুধবার বসছে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

 

 

 

 

 

 

যদি বুধবার দেশের কোথাও চাঁদ দেখা যায় তাহলে বৃহস্পতিবার থেকে পবিত্র মাহে রমজান শুরু হবে। আর যদি চাঁদ দেখা না যায় তাহলে শুক্রবার থেকেই মাহে রমজান শুরু।

 

 

 

 

 

এদিকে মুসলিম বিশ্বের ঘরে ঘরে রমজানের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। চাঁদ দেখা গেলে বুধবার রাতেই সেহরি খাওয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হবে পবিত্র রমজানের আনুষ্ঠানিকতা। এর আগে এশার নামাজের পর মুসল্লিরা আদায় করবেন প্রথম তারাবি।

 

 

 

 

 

তারাবির নামাজ:

তারাবির নামাজের গুরুত্ব সীমাহীন। কারণ মাহে রমজান যেসব বিশেষ বৈশিষ্ট্যের জন্য মহিমান্বিত, তার মধ্যে অন্যতম তারাবির নামাজ। তারাবির নামাজ মুসলমানদের ওপর সারা বছরের মধ্যে শুধুই রমজান মাসের জন্যে সুন্নত বিধান হিসেবে স্থিরকৃত।

 

 

 

 

 

 

যেহেতু রমজান মাস ছাড়া বছরের অন্য কোনো সময়ে তারাবির নামাজ আদায় করার সুযোগ নেই তাই বার্ষিক ইবাদত হিসেবে এর গুরুত্ব অন্যান্য সুন্নত নামাজ অপেক্ষা বেশি।

 

 

 

 

 

রাসুলে করিম (সা.) তারাবির নামাজকে অত্যন্ত গুরুত্বসহ আদায় করতেন বলে সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত।

 

 

 

 

হজরত আবদুর রহমান ইবনে আওফ আবু হুরায়রা (রা.) থেকে একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন।তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) তারাবির নামাজের ব্যাপারে সাহাবিদের উৎসাহিত করতেন কিন্তু তিনি তাঁদেরকে দৃঢ়তার সঙ্গে আদেশ করতেন না।

 

 

 

 

 

তিনি বলতেন, যে ব্যক্তি ইমানের সঙ্গে সওয়াব হাসিলের উদ্দেশ্যে রমজান মাসে কিয়াম করবে অর্থাৎ তারাবির নামাজ আদায় করবে, তার অতীতের সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। (সহিহ আল-বোখারি, হাদিস : ২০০৯, সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৭৫৯, মুআত্তা ইমাম মালেক, খণ্ড : ২, পৃষ্ঠা : ১৫৬ , হাদিস : ৩৭৬)

 

 

 

 

 

 

সাহরি খাওয়ার ফজিলত ও নিয়ম : রোজার জন্য সেহরি খাওয়া সুন্নত ও অনেক সওয়াবের কাজ। বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, বলেছেন তোমরা সেহরি খাবে, এতে অনেক বরকত আছে।

 

 

 

 

১. পেট পুরে সেহরি খাওয়া জরুরি নয়, দুই বা এক লোকমা অথবা খেজুরের টুকরা কিংবা দুইচার দানা খেলেও যথেষ্ট।

 

 

 

 

 

২. সুবহে সাদিকের পূর্বে রাতের শেষভাগে সেহরি খাওয়া মুস্তাহাব

 

 

 

 

 

৩. যদি সেহরি খেতে দেরি হয়ে যায় এবং প্রবল ধারণা হয় যে, ভোর হওয়ার পর কিছু পানাহার করেছে, তবে এ অবস্থায় সন্ধ্যা পর্যন্ত পানাহার ত্যাগ করা এবং পরে ওই রোজা কাজা করা ওয়াজিব