প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :             নেছারাবাদ উপজেলার শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজের এডহক কমিটিতে পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য এ.কে.এম.এ আউয়ালের সভাপতি পদ কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

 

 

 

 

 

একই সঙ্গে নোটিশ গ্রহণের ৭ দিনের মধ্যে শিক্ষাসচিব, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক, সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যক্ষ ও এমপি আউয়ালকে উক্ত রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

 

 

 

 

 

 

জানা যায়, গত ২১-১১-২০১৭ তারিখ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কলেজটির পরিচালনা পরিষদের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির সভাপতি এমপি আউয়ালকে পুনরায় সভাপতি মনোনীত করে একটি ‘এডহক কমিটি’ গঠন করে পাঠায়।

 

 

 

 

 

এডহক কমিটিতে পূর্বের কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্যকে সভাপতি মনোনয়নের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে কলেজটির ছাত্র অভিভাবক মো. মাহফুজুর রহমান হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইউনুস আলী আকন্দ।

 

 

 

 

 

 

অন্যদিকে, রাষ্ট্র (রেসপন্ডেন্টদের) পক্ষে ছিলেন ডিএজি অরবিন্দ কুমার রায় (আনন্দ), ডিএজি জেসমিন সুলতানা, এএজি মো. আসাদুজ্জামান ও এএজি মো. মাহফুজুর রহমান।

 

 

 

 

 

শুনানি শেষে বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী এবং বিচারপতি এ.কে.এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ উক্ত রুল আদেশ জারি করেন।

 

 

 

 

 

উলে­খ্য, ২০১৬ সালের একটি রিট আবেদনের শুনানির শেষে ঐ বছরের ১ জুন আইন প্রণেতাদের (এমপিদের) নিজস্ব নির্বাচনী এলাকায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্ডিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মনোনীত হওয়ার বিধানটি ‘সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক’ ঘোষণা করে তারা (এমপিরা) ঐ পদে মনোনীত থাকতে পারবেন না বলে হাইকোর্ট রায় দেন।

 

 

 

 

 

পরবর্তীতে একই বছরের ১২ জুন আপিল বিভাগও ‘নো অর্ডার’ দিলে হাইকোর্টের দেয়া রায়ই বহাল থাকে।