প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :          এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় এক স্কুলের দশম শ্রেণির ওই ছাত্রী বিকেলে নিজ বাড়ির পাশে পুকুরে গোসল করতে যায়।

 

 

 

এ সময় ওত পেতে থাকা পাঁচ যুবক স্কুলছাত্রীকে পুকুর থেকে মুখ বেঁধে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে যায়। এরপর ওই স্কুলছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে তারা। এতে ওই স্কুলছাত্রী জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।

 

 

 

 

 

এরপর পাঁচ যুবক ছাত্রীকে পরিত্যক্ত বাড়িতে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।ঢাকার ধামরাইয়ে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে জানা গেছে। ধর্ষণ ঘটনার ভিডিওচিত্র ধারণ করে তাকে হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

 

 

 

এ ঘটনায় বুধবার (১৬ মে) রাতে জাহাঙ্গীর আলম নামের এক সন্দেহভাজনকে আটক করেছে ধামরাই থানা পুলিশ। স্থানীয় লোকজন জানান, তারা শাহিনুর ইসলাম, হাবিবুর রহমান হাবু, আবদুল হালিম, জাহাঙ্গীর আলম ও দেলোয়ার হোসেনকে দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখেছেন।

 

 

 

 

 

পরিত্যক্ত বাড়িতে গিয়ে অজ্ঞান অবস্থায় স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে ধামরাইয়ে একটি হাসপাতালে ভর্তি করে।ওই স্কুলছাত্রী জানায়, ধর্ষণের ঘটনা মোবাইল ফোনে ভিডিওচিত্র ধারণ করেছে পাঁচ যুবক।

 

 

 

 

তারা হুমকি দিয়ে বলেছে, এ ঘটনা কাউকে জানালে ইন্টারনেটে ছেড়ে দেবে।ছাত্রী আরো বলে, ‘আমার আত্মহত্যার পথ বেছে নেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।

 

 

 

 

আমি আমার ওপর ঘটে যাওয়া পাশবিক নির্যাতনের বিচার চাই।’এ ব্যাপারে কাওয়ালীপাড়া বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ শেখ মোহাম্মদ সোহেল রানা জানান, গণধর্ষণের ঘটনায় পাঁচজনের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলমকে রাতেই আটক করা হয়েছে।

 

 

 

 

 

বাকিদের আটকের চেষ্টা চলছে। ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।