প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :        যৌন সম্বন্ধিত কথা অথবা শব্দ শুনলে যারা ছি ছি!! অথবা চটে ওঠেন বেশীরভাগ তারাই রাতে বিছানায় যাওয়ার পর যৌন কথায় মেতে ওঠে।

 

 

 

 

 

তবে এটা সত্যিই হয়? এ সম্বন্ধে মার্কিন বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে, মিলনের সময়টাকে দ্বিগুণ আনন্দ বাড়ানোর জন্যই বেশীরভাগ দম্পতিই মুখ দিয়ে অশ্রাব্য যৌন আওয়াজ বের করে থাকে।

 

 

 

 

যৌন বিশেষজ্ঞ ট্রেসি কক্সের মতে নম্র,ভদ্র স্বভাবের আড়ালে এরকম স্বভাবধারীর সংখ্যা মোটেও কম নয়।যারা সকালে নিপাট ভদ্ররূপে নিজেকে প্রদর্শন করে,তারাই রাতে বিছানায় যাওয়ার পর সম্পূর্ণ অন্য রূপ দেখতে পাওয়া যায়।

 

 

 

 

 

খিস্তি না দিলে অথবা কুরুচিকর শব্দ বের না করলে নাকি উত্তেজনা বাড়েনা। তবে এটি শুধুমাত্র শান্ত প্রকৃতির মানুষদের জন্য প্রযোজ্য নয়। ট্রেসি কক্স আরো জানান যে বিছানায় এরকম কুরুচিপূর্ণ আওয়াজ করা মোটেও অসভ্যতামোর মধ্যে পড়েনা।

 

 

 

 

 

এছাড়া আচার আচরণের পরিবর্তন আনতে অ্যালকোহলের মোটেও দরকার পড়েনা। বরং দুজন সঙ্গীর মধ্যে যেকোনো একজন একথা বললে দুজনেই উত্তেজিত হওয়া যায়।

 

 

 

 

 

আবার কখনো গালিগালাজও করা যেতে পারে। তবে এরকম আচরণ তাদের দৈনন্দিন জীবনে মোটেও প্রভাব ফেলতে পারেনা।ট্রেসি জানান যে, এগুলি কেবলই বিছানার মধ্যেই সীমিত থেকে যায়।

 

 

 

 

তাই বিছানায় বাইরে নিজেকে খারাপ ভাবার কোনো প্রশ্নই ওঠেনা। কেননা সঙ্গমের সময় শরীর যেভাবে উত্তেজিত হয় তাতে স্বামী-স্ত্রী উভয়ের অর্গাজম সুষ্ঠুভাবে হয়। এর ফলে দুজনেই যৌনতৃপ্তি পেয়ে থাকে।অনেকে আবার এটিকে ইরোটিকও বলে থাকে।

 

 

 

 

 

তবে এ বিষয়টিকে ইরোটিক বলতে নারাজ ট্রেসি। ট্রেসি জান্য যে,অশ্রাব্য গালিগালাজের সঙ্গে মিলনের সময় সঙ্গী বা সঙ্গীণিকে উত্তেজিত করাকে ইরোটিক বলা যেতে পারে। . বিছানায় পুরুষ সঙ্গীর মতো মহিলা সঙ্গীণিও এরকম অশ্রাব্য ভাষা বলে থাকে।

 

 

 

 

 

 

আর যাদের খিস্তিতে বাধা রয়েছে তারাও মনের সুখে বিছানাতে প্রয়োগ করতে পারেন। কারণ এসময় লাভ হরমোন নিঃসরণের পরিমাণ অনেকগুণ বাড়তে পারে। অলসভাব কেটে যাবে। ফলে সহজেই উত্তেজিত হয়ে পড়বেন।