প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:     ‘শেয়ারকেয়ার’ নামের স্বাস্থ্যবিষয়ক জার্নালে সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে নেফ্রোলজিস্ট মেহমান আনসারির একটি গবেষণাপত্র। তাতে বলা হয়েছে, গণ শৌচালয়ে একটি বিশেষ ভুল পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে প্রায় সবাই করে থাকেন।

 

 

 

কাজেকর্মে বাড়ির বাইরে যাঁদের অনেকটা সময় কাটাতে হয়, প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের অনেকটাই নির্ভর করতে হয় পাবলিক টয়লেটের উপর। বাড়ির বাইরে থাকাকালীন যদি প্রাকৃতিক কাজ সারতে হয়, তা হলে গণ শৌচালয়ই ভরসা। পাবলিক টয়লেট মানে কেবল রাস্তার সুলভ শৌচালয়-এর কথা বলা হচ্ছে না। অফিসে, স্কুলে, কলেজে যে সমস্ত টয়লেট আপনি ব্যবহার করেন, সেগুলোও পাবলিক টয়লেট বই কি। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, এই ধরনের টয়লেট ব্যবহারের সময়ে একটা ছোট্ট ভুল আমরা সবাই করি। এবং সেই ভুলের ফলেই আমাদের শরীরের গুরুতর ক্ষতির সম্ভাবনা থেকে যায়।

 

 

 

 

‘শেয়ারকেয়ার’ নামের স্বাস্থ্যবিষয়ক জার্নালে সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে নেফ্রোলজিস্ট মেহমান আনসারির একটি গবেষণাপত্র। তাতে বলা হয়েছে, গণ শৌচালয়ে একটি বিশেষ ভুল পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে প্রায় সবাই করে থাকেন। কী সেই ভুল? মেহমান বলছেন, পাবলিক টয়লেট সাধারণ ভাবে অনেকগুলি খোপ বা কিউবিকল-এ বিভক্ত থাকে। অধিকাংশ মানুষই দরজা দিয়ে ঢুকেই প্রথম বা দ্বিতীয় কিউবিকলটি ব্যবহার করেন না। পরিবর্তে মাঝামাঝি বা একেবারে শেষ কিউবিকলটিতে প্রবেশ করেন। এতে তাঁদের প্রাইভেসি বৃদ্ধি পায় বলে তাঁরা মনে করেন। কিন্তু এই অভ্যেসের ফলেই গুরুতর স্বাস্থ্যঘটিত সমস্যার সম্ভাবনা থেকে যায় বলে জানাচ্ছেন ডাক্তার মেহমান।

 

 

 

 

তাঁর বক্তব্য, টয়লেটের কোনও কিউবিকল বেশি ব্যবহার হওয়ার অর্থ— সেই কিউবিকলে বেশি পরিমাণ জীবাণুর জন্ম। সেই কারণে সেই কিউবিকলেই যখন আপনিও প্রবেশ করছেন, তখন আপনারও সেই জীবাণুর দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে।

 

 

 

 

 

তা হলে পাবলিক টয়লেট ইউজ করার সময়ে কী করা উচিত? মেহমানের পরামর্শ, সব সময়ে দরজা দিয়ে ঢুকে প্রথম অথবা দ্বিতীয় কিউবিকলটিই ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। যদি দেখেন, সেটি এনগেজড রয়েছে, তা হলে অপেক্ষা করুন। কিন্তু কিউবিকলের সারির মাঝামাঝি অবস্থিত কোনও পার্টিশনে, কিংবা একেবারে শেষের কিউবিকলে ভুলেও প্রবেশ করবেন না। না হলে সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যাবে।