প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:    আইয়ুব বাচ্চু নিজেকে একজন গিটারিস্ট হিসেবে পরিচয় দিতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। একই সঙ্গে শ্রোতারা তাকে যেভাবে দেখতে চান, সেভাবেই তিনি পরিচিত থাকতে চাইতেন সবার কাছে।

 

 

 

২০১০ সালে বিবিসির এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা জানিয়েছিলেন ব্যান্ড জগতের কিংবদন্তি এ শিল্পী।বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কিংবদন্তি এই শিল্পী। তার বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর।

 

 

 

দীর্ঘদিন ধরে তিনি হার্টের অসুখে ভুগছিলেন। তার হার্টের কার্যক্ষমতা ছিল ৩০ শতাংশ।সর্বশেষ তিনি গত সপ্তাহে স্কয়ার হাসপাতালেই চিকিৎসা নিয়েছিলেন। এর আগে ২০০৯ সালে তিনি হার্টে রিং পরিয়েছিলেন।

 

 

 

 

আইয়ুব বাচ্চু ১৯৬২ সালের ১৬ আগস্ট তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) চট্টগ্রাম জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।বাচ্চুর সংগীতজগতে যাত্রা শুরু হয় ১৯৭৮ সালে ‘ফিলিংস’ ব্যান্ডের মাধ্যমে। তার কণ্ঠের প্রথম গান- ‘হারানো বিকেলের গল্প’। গানটির কথা লিখেছিলেন শহীদ মাহমুদ জঙ্গী।

 

 

 

 

১৯৮০-৯০ সালে তিনি সোলস ব্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত ‘রক্তগোলাপ’ আইয়ুব বাচ্চুর প্রথম প্রকাশিত একক অ্যালবাম।এই অ্যালবামটি তার জীবনে সফলতা বয়ে না আনলেও ১৯৮৮ সালে তার দ্বিতীয় একক অ্যালবাম ‘ময়না’ তার জীবনে সফলতার দ্বার উন্মোচন করে।