প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:    ‘নিখোঁজ’ সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে হত্যা করার কথা স্বীকার করল সৌদি আরব। দেশটির প্রধান কৌঁসুলি এক বিবৃতিতে বলেন, সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে কনস্যুলেটের মধ্যেই হত্যা করা হয়েছে।

 

 

 

একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে বহিষ্কার করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দেশটির গোয়েন্দা বিভাগের উপপ্রধান আহমাদ আল-আসসিরি ও ক্রাউন প্রিন্স সালমানের নিরাপত্তারক্ষী সৌদ আল-কাহতানিকে বহিষ্কার করা হয়। সৌদি সরকারের টেলিভিশনের বরাত দিয়ে বিবিসি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য দেওয়া হয়েছে।

 

 

 

সৌদি টেলিভিশনে দেওয়া ওই বিবৃতির বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি কনস্যুলেটে দেখা করতে যাওয়া কয়েকজনের সঙ্গে খাশোগির লড়াই হয়ে। এর কিছু পরেই খাশোগির মৃত্যু হয়।যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড এ ঘটনাকে অপ্রত্যাশিত বলে মন্তব্য করেছেন। পাশাপাশি সৌদিকে অনেক বড় বন্ধু বলেও দাবি করেছেন তিনি।

 

 

 

 

২ অক্টোবর ঘটনার পর থেকে সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে হত্যার কথা অস্বীকার করে আসছিল সৌদি আরব। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছা নির্বাসিত সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগি গত ২ অক্টোবর নিজের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিতে ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে যান। সেখান থেকে তাঁকে আর বের হতে দেখা যায়নি।

 

 

 

 

 

এর পর থেকে এ বিষয়ে সৌদি আরবের বক্তব্য ছিল, খাসোগি কনস্যুলেট ভবন থেকে বের হয়ে গেছেন। অন্যদিকে তুরস্ত খাশোগিকে হত্যা করা হয়েছে এবং কনস্যুলটের ভেতরেই তাঁকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। তুরস্কের পক্ষ থেকে কনস্যুলট থেকে খাসোগি বের বের হওয়ার বিষয়ে সৌদির কাছে প্রমাণ চাওয়া হয়। তারা তা দিতে ব্যর্থ হয়।