প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:    বিয়ের সব আনুষ্ঠানিকতা সেরে যখন আমি বাসর ঘরে গেলাম, তখন আমার বউ পারুল (ছদ্মনাম) এর মুখ থেকে শুনতে পাই সে ধর্ষিতা! আর বিশেষ এ রাতে এই কথা শুনে যে কোনো ছেলেরই কিছু সময়ের জন্য পৃথিবীটা উল্টে যাবে। কিন্তু আমি একটুও অবাক হইনি।সাধারণত বাসর রাতে সবাই তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের গল্প করে। কিন্তু আমার বউ তার ধর্ষণ হবার গল্প করেছে। আমি চাইলে তাকে ওখানেই ফিরিয়ে দিতে পারতাম। কিন্তু, সেটা করিনি কারণ তাহলে মেয়েটা সকল পূরুষ জাতিকে জানোয়ার ভাবতো।

 

 

 

আমি বিচলিত হই তখনই। যখন জানতে পারি একটা মানুষ রুপি জানোয়ার শুধু মাত্র তার পুরুষত্বের চাহিদা মেটানোর জন্য একটা মেয়ের সতীত্ব হরণ করেছে। আমি সেই রাতেই ভেবে নিয়েছিলাম আমার জন্য যদি একটা মানুষ তার শেষ হয়ে যাওয়া জীবনটা নতুন করে সাজাতে পারে তাহলে দোষ কী। তাই সব হাসি-মুখে বরণ করে নিই।

 

 

 

 

বিয়ের সপ্তাহ খানেক পরে যখন ওর বমি-বমি ভাব হয়, একই সঙ্গে মাথা-ব্যথা শুরু হয় তখন ও খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলো। আর কেও কিছু বুঝে ফেলার আগেই, আমি আমার লজ্জা সরমের মাথা খেয়ে এটা রটিয়ে দিই যে, আমি বিয়ের আগেই ওর সঙ্গে শারীরিকভাবে মেলামেশা করি। এর জন্য আমাকে পরিবার ত্যাগ করতে হয়েছিল।