প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:   এসব বিষয়ে কথা বলতে খারাপ লাগে। অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাদের নিয়ে বাজে মন্তব্য করে। কেউ খতিয়ে দেখে না এমন কেন হয়! আমি নিজেও প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাহায্য চেয়েছি। একটা-দুইটা টাকা নয়, তিনি আমাকে ৩০ লাখ টাকা দিয়েছেন। হয়তো তাঁর সাহায্যের কারণেই এখনো বেঁচে আছি।

 

 

 

কিন্তু একজন আনোয়ারার কি এমন পরিণতি হওয়ার কথা ছিল? আমার অভিনীত পাঁচ শতাধিক ছবি আছে। এই তো সেদিনের কথা, আমাকে কেন্দ্র করেই তৈরি হয়েছে ‘দাদী মা’। ছবিটা সুপারডুপার হিট করেছে। তাহলে আমি কেন অর্থাভাবে পড়েছি! এমন তো নয় যে জুয়া খেলে, নেশা করে টাকা উড়িয়েছি! আসল কথা হলো পারিশ্রমিক। নাম ভূমিকায় আমি অথচ টাকা নিয়ে যাচ্ছে নায়ক-নায়িকা। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে যে পারিশ্রমিক পেয়েছি, এখনো প্রায় একই পারিশ্রমিক দিচ্ছেন নির্মাতারা।

 

 

 

কিছু বলতে গেলে বলেন, ‘আপনাকে তো ওই ছবিতে এত দিয়েছিলাম। এখন কেন বাড়াচ্ছেন?’ তর্ক করতে গেলে দেখা যায় ছবি থেকেই বাদ পড়ে গেছি, অনেকবার এমন হয়েছে। এখন তো সেভাবে ছবিই তৈরি হচ্ছে না। যা কিছু হচ্ছে সেখানে চরিত্রাভিনেত্রী হিসেবে ভারতের শিল্পীরা ঠাঁই পাচ্ছেন। আমি না পারছি সাধারণ মানুষের মতো চলতে, না পারছি তারকার মতো থাকতে। উল্টো পরিবারের ভরণ-পোষণের জন্য ঋণ করতে হচ্ছে। আর এর মধ্যে যদি অসুখ দেখা দেয় তাহলে তো সাহায্য চাওয়া ছাড়া আর উপায় থাকে না।