প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:   নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সময় থেকেই নির্বাচনকালীন সরকার শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ সফিউল আলম। তিনি বলেন, ‘সিডিউল ডিক্লেয়ারের (তফসিল ঘোষণা) পর থেকেই নির্বাচনকালীন সরকার শুরু হয়েছে।’আজ সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান। তফসিল ঘোষণার পর এটাই মন্ত্রিপরিষদ প্রথম বৈঠক।মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, আজকের বৈঠকে ‘বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন (সংশোধন) আইন-২০১৮’ এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

 

 

 

‘আগে বলা হয়েছিল এই সরকার রুটিন কাজ করবে, কোনো আইন অনুমোদন বা নীতি-নির্ধারণী সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না। আজ তো আইন পাস হলো’- এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘আইন উঠতে পারে। সেটা সংসদে তো পাস হচ্ছে না, সংসদ তো নাই। আইন করতে বাধা নেই।’মন্ত্রিসভা বৈঠক চলমান থাকবে জানিয়ে শফিউল আলম বলেন, ‘এটা (আইন অনুমোদন) ক্যাবিনেটের কার্যক্রমের মধ্যেই পড়ে, এটাকে রুটিনই বলা যায়। কোনো উন্নয়ন প্রকল্প এগুলোকে স্পর্শ করে না।’এ সময় মন্ত্রিসভা রদবদলের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘না, এই রকম কোনো সংবাদ নেই, থাকলেও আপনাদের তো বলবই।’

 

 

 

 

এ ছাড়াও টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে জানতে চাইলে মোহাম্মদ সফিউল আলম বলেন, ‘এটা আমাদের কাছে এখনও আসেনি।’এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের যে কনস্টিটিউশন প্রভিশন (সংবিধানের বিধান) তাতে প্রজ্ঞাপন না হওয়া পর্যন্ত অর্থাৎ একজন মন্ত্রী যদি ওনার দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন, তবে তিনি মন্ত্রী থাকবেন। সাবমিশন (সংবিধান অনুযায়ী পদত্যাগপত্র উপস্থাপন বিষয়টি) হচ্ছে গেজেট নোটিফিকেশন হওয়া পর্যন্ত। ওনার পদত্যাগটা চূড়ান্ত হবে যখন গেজেট নোটিফিকেশন হবে। যেহেতু হয়নি, তাই তারা মন্ত্রী হিসেবে বহাল আছেন বলে গণ্য হবে।’

 

 

 

 

কবে নাগাদ পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হবে- এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এটা আমার বলার উপায় নেই।’এর আগে গত ৬ নভেম্বর মন্ত্রিসভা বৈঠকে টেকনোক্র্যাট (সংসদ সদস্য না হয়েও বিশেষ বিবেচনায় মন্ত্রী) মন্ত্রীদের পদত্যাগের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে ওই দিনই বিকেল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে চার মন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দেন।