প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:    প্রিন্ট মিডিয়ার সম্পাদকদের সঙ্গে বসতে চায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। আগামী ১৬ নভেম্বর জাতীয় দৈনিকের সম্পাদকদের সঙ্গে বসার তারিখ নির্ধারণ করেছেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা।মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় মতিঝিলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বেরিয়ে এসে এ কথা জানান ফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আমরা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে চাই। এ জন্য আগামী ১৬ নভেম্বর জাতীয় দৈনিকের সম্পাদকদের আসার আমন্ত্রণ জানাব।

 

 

 

 

এ সময় তিনি বলেন, বুধবার ১২টায় আমরা জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনে যাব। এ সময় জাতীয় নেতারাও যাবেন। আমরা একাদশ সংসদ নির্বাচন এক মাস পিছিয়ে দিতে নির্বাচন কমিশনকে আবারও অনুরোধ করব। আশা করছি নির্বাচন কমিশন আমাদের কথা রাখবেন।মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশনকে এক মাস নির্বাচন পেছানোর অনুরোধ করেছিলাম। কমিশন নির্বাচন এক সপ্তাহ পেছানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে আমরা হতাশ, দেশবাসীও হতাশ।জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এ মুখপাত্র বলেন, নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপ দেখে মনে হচ্ছে, তারা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে আগ্রহী নয়। অথচ একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য ইসির ইতিবাচক পদক্ষেপ জরুরি।

 

 

 

 

 

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন ৩০ ডিসেম্বর ভোটের তারিখ নির্ধারণ করেছে। এ দিনটিতে বড়দিনের ছুটি থাকে। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য দিনটি বিশেষ। এ দিন তাদের জন্য উৎসবের।এ ছাড়া ইংরেজি নববর্ষের আগের দিন ৩০ ডিসেম্বর। এই দিনে ভোট হলে বিদেশি পর্যবেক্ষকরা আসতে পারবেন না। তারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন না।তাই আমরা নির্বাচন এক মাস পেছানোর দাবি করছি।দুপুর ১২টার দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন।

 

 

 

 

 

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাসদ সভাপতি আ স ম আবদুর রব, কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন ও গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।