প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:     দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা ও আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলমের জামিন আবেদনের ওপর আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি শেখ আবদুল আউয়াল বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হবে। গতকাল বুধবার এ আদালত শুনানির দিন ধার্য করেন। এর আগে শহিদুল আলমের আইনজীবী ব্যারিস্টার সারা হোসেন জামিনের আবেদন এ আদালতে উপস্থাপন করেন। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফজলুর রহমান খান।

 

 

 

 

এর আগে গত পহেলা নভেম্বর বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি এসএম মজিুবর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ শহিদুল আলমের জামিন আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়ে আদেশ দেন। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে করা মামলায় শহিদুল আলমের জামিন প্রশ্নে জারি করা রুলের ওপর শুনানিকালে আদালত এ আদেশ দেন। এ অবস্থায় বর্তমান হাইকোর্ট বেঞ্চে জামিন আবেদনটি গত ৬ নভেম্বর উপস্থাপন করা হয়।

 

 

 

 

 

গত ১৪ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে শহিদুল আলমের জামিন আবেদন করা হয়। গত ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত শহিদুল আলমের জামিন আবেদন খারিজ করার পর হাইকোর্টে ১৮ সেপ্টেম্বর নতুন করে জামিন আবেদন করা হয়। ৭ অক্টোবর জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। সরকারকে এক সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

 

 

 

 

 

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সাক্ষাতকার দেন ড. শহিদুল আলম। সেখানে বিনাবিচারে মানুষ হত্যা, জাতীয় সংসদ নির্বাচন, কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরতদের বিষয়ে সরকারের ভূমিকা নিয়ে বক্তব্য দেন। একই সঙ্গে গত ৪ ও ৫ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে লাইফে বক্তব্য দেন। এরই প্রেক্ষাপটে গত ৫ আগস্ট রাতে ধানমণ্ডির বাসা থেকে ড. শহিদুল আলমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় তার বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলা করে পুলিশ।

 

 

 

 

 

এ মামলায় ৬ আগস্ট তাকে ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে সাতদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে ১২ আগস্ট তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। সেই থেকে তিনি কারাবন্দি।