প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:      ১৯৮৯ সালের ১৫ নভেম্বর। পাকিস্তানের করাচি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন, কপিল দেবদের মতো বিখ্যাত সব ক্রিকেটারদের সঙ্গে মাঠে নামলেন  ১৬ বছর বয়সী এক কিশোর। অভিষেক টেস্টে মাত্র ১৫ রান করে আউট হলেন তিনি। কিন্তু অভিষেকের ধাক্কা সামলে পরবর্তীতে সেই ছেলেটাই ব্যাট হাতে শাসন করেছে ক্রিকেটবিশ্ব। বাকিটা ইতিহাস।

 

 

 

২৯ বছর আগে এই দিনে বাইশ গজে ভারতের হয়ে প্রথম প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন শচীন রমেশ টেন্ডুলকার। পাকিস্তানের বিপক্ষে করাচির মাঠে লাল বলে তাকে স্বাগত জানিয়েছিলেন ওয়াকার ইউনিস, ওয়াসিম আকরামরা। আজ বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এক আবেগঘন পোস্টে ২৯ বছর আগের সেই অভিষেক ম্যাচের স্মৃতিতে ডুব দিলেন মাস্টার ব্লাস্টার।

 

 

 

 

টুইটারে নিজের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচে ব্যাটিংয়ের কিছু মুহূর্ত পোস্ট করে লিটল মাস্টার লিখেছেন, ‘প্রতিবছর এই দিনটা আমায় একগুচ্ছ স্মৃতি ফিরিয়ে দেয়। এইদিনেই আমি প্রথম ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছিলাম। ২৪ বছর ধরে দেশের হয়ে খেলতে পারাটা আমার কাছে অত্যন্ত সম্মানের।’

 

 

 

 

প্রথম টেস্ট ম্যাচে সাড়া জাগাতে পারেননি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১০০ সেঞ্চুরির মালিক। ম্যাচটিও ম্যাড়ম্যাড়ে ড্র হয়ে যায়। ওই ম্যাচেই পাকিস্তান দলে অভিষিক্ত ওয়াকার ইউনিসের বলে আউট হন তিনি। দুই কিংবদন্তির অভিষেক ম্যাচের কথা স্মরণ করে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকেও আজ একটি টুইট করা হয়। টুইটারে শচীনের অভিষেক ম্যাচের কথা স্মরণ করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও।

 

 

 

 

ঘটনাক্রমে ঘরের মাঠ ওয়াংখেড়েতে জীবনের শেষ টেস্ট ইনিংসটিও ৫ বছর আগে একইদিনে (১৫ নভেম্বর) খেলেছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট ঈশ্বর। শেষ টেস্টে ৭৪ রানের ইনিংস খেলেছিলেন শচীন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শচীনের শেষ টেস্টে ভারত জিতেছিল ইনিংস ও ১৭৪ রানে।

 

 

 

 

২৪ বছরের অসম্ভব সব রেকর্ড গড়া ক্যারিয়ারে ২০০টি টেস্ট খেলেছেন শচীন রমেশ টেন্ডুলকার। ৫১টি সেঞ্চুরিতে টেস্টে তার মোট রান ১৫,৯২১। পাশাপাশি ৪৬৩ ওয়ানডে ম্যাচে ৪৯ সেঞ্চুরিতে কিংবদন্তির ঝুলিতে রয়েছে ১৮,৪২৬ রান।