প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:     ছিল দুধ, গরম করতেই হয়ে গেল প্লাস্টিক। এতদিন টিভি খবরের কাগজ ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভেজাল দুধ অথবা দুধ প্লাস্টিকে পরিণত হওয়ার ঘটনা শুনে এসেছেন। কিন্তু এবার খোদ নিজে চোখে বাড়িতেই দুধ প্লাস্টিকে পরিণত হওয়ার ঘটনায় হতবাক হয়ে গিয়েছেন শিক্ষক আদিত্যশংকর রায় ও তার পরিবার। সোমবার ভারতের কলকাতার বালুরঘাটের প্রাচ্যভারতী পাড়ার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

 

 

 

আদিত্য’র বাড়িতে গোয়ালার দেয়া দুধ গরম করতেই প্রথমে রাবারের মতো হয়ে যায়। পরে ঠান্ডা হতেই প্লাস্টিক জাতীয় পদার্থে পরিণত হওয়ায় অবাক হয়ে যান সকলে। এতদিন শুধু ভেজাল দুধের কথা অন্যের মুখে অথবা মিডিয়ার মাধ্যমে শুনে এসেছিলেন। এদিন নিজের বাড়িতেই চোখের সামনে এমন দুধ থেকে রাবার ও পরে প্লাস্টিক বেরিয়ে আসায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা।

 

 

 

 

পেশায় শিক্ষক আদিত্যশংকর রায় জানিয়েছেন, প্রতিদিনের মতো এদিনও গোয়ালা দুপুরবেলা এসে তাদের বাড়িতে দুধ দিয়ে যান। সেই দুধ গরম করতেই সাদা রাবার বা প্লাস্টিক জাতীয় বস্তুর আকার নিতে আরম্ভ করে। প্রথমে তারা ভেবেছিলেন যে দুধ নষ্ট হয়ে ছানা কেটে গিয়েছে। চামচ দিয়ে তা নাড়াতে গিয়ে দেখেন রাবারের মতো হয়ে গেছে। পরে ঠান্ডা হতেই সাদা প্লাস্টিকের মতো হয়েছে। পৌরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে তাদের বাড়ি থেকে তা নমুনা হিসেবে সংগ্রহ করে নিয়ে গিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মীরা।

 

 

 

 

বালুরঘাট পৌরসভার চেয়ারম্যান রাজেন শীল জানিয়েছেন, ঘটনাটি জানা মাত্রই প্রাচ্যভারতীর ওই বাড়ি থেকে প্লাস্টিকে পরিণত হয়ে যাওয়া দুধের নমুনা সংগ্রহ করে আনা হয়েছে। সেই নমুনা পরীক্ষা করার জন্য খাদ্য সুরক্ষা দফতরে পাঠানো হয়েছে। সেই রিপোর্ট পাওয়ার পরই বলা সম্ভব হবে যে তা ভেজাল বা কেমিক্যাল জাতীয় কিছু মেশানো আছে কি না।