প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:    মাত্র ৪১ বছর বয়সেই চলে গিয়েছেন কানাডার সাসকাটুনের বাসিন্দা ক্রিস ওয়েনজেল। এমন সময়ে শোক সামলে ওটাই দুষ্কর। কিন্তু এই পরিস্থিতিতেই ক্রিসের স্ত্রী শেরিল যা করলেন, তার নজির মেলা ভার।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘মিরর’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, স্বামীর মৃতদেহ থেকে তাঁর ত্বক খুলে নিয়ে ফ্রেমে বাঁধিয়ে রাখলেন শেরিল। এই অদ্ভুত কাণ্ডের পিছনে অবশ্য রয়েছে এই বিস্তৃত কাহিনি।

 

 

 

 

ক্রিস পেশায় ছিলেন ট্যাটু আর্টিস্ট। কিন্তু নিজের শরীরকেও ভরিয়ে দিয়েছিলেন আশ্চর্য সব ট্যাটুতে। তিনি আলসারেটিভ কোলাইটিস নামের এক দুরারোগ্য অসুখে ভুগছিলেন। মৃত্যু আসন্ন বুঝতে পেরে ক্রিস শেরিলকে বলেন, তাঁর শিল্পকে সংরক্ষণ করতে। তিনি চেয়েছিলেন তাঁর বংশধররা যেন তাঁর শিল্পকীর্তির স্বাদ নিতে পারে। গত অক্টোবরে ক্রিস মারা যান।সংবাদমাধ্যমকে শেরিল জানিয়েছেন, স্বামীর শেষ ইচ্ছে পূরণ করতেই তিনি তাঁর মৃত্যুর পরে দেহ থেকে ত্বক খুলে নিয়ে বাঁধিয়ে রাখার উদ্যোগ নেন। এতে কে কী বললল, না-বলল, তাতে তাঁর কিছু এসে-যায় না। দেওয়ালে যদি ছবি বা পেন্টিং টাঙানো থেকতে পারে, তবে কেন ট্যাটু নয়— প্রশ্ন শেরিলের।

 

 

 

 

 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থা ‘সেভমাইইংক’ মৃত ব্যক্তির দেহ থেকে ট্যাটু উদ্ধার ও সংরক্ষণের কাজ করে থাকে। এই সংস্থাকেই শেরিল বরাত দেন, ক্রিসের দেহ থেকে ট্যাটু সংরক্ষণের। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, তারা তিন মাস সময় নেবে ক্রিসের শরীরের ট্যাটুগুলিকে সংরক্ষণের জন্য।স্ত্রী শেরিলের শরীরেও বেশ কিছু ট্যাটু এঁকেছিলেন ক্রিস। শেরিলও চান তাঁর প্রয়াণের পরে সেই ট্যাটুগুলিও সংরক্ষিত হোক।