প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:    আমাদের সমাজে বেশ্যা বিত্তি এমন একটি জিনিস যেটি খুব একটি খারাপ জিনিস ।আর কেউ নিজের ইচ্ছে এই সব ব্যবসায় যেতে চায় না ।কিন্তু নিজের জীবন আর সংসার চালানোর জন্যে এমনটাই করে থাকে তারা ।আর এই সব বেশ্যা বিত্তি নিয়ে সব সময় কোন না কোন কথা সামনে এসে থাকে ।আর আজ আমরা আপনাদের কাছে এমন একটি কথা নিয়ে এসেছি আর সেটি জানার পর আপনার চোখে জল আসবে , একটি বেশ্যার দিন কিভাবে কাটে ?আর এই সব জিনিস গুলি অনেকে জানার উৎসুকটা অনেক বেশী ।আর আমারা বেশ্যা বিত্তি নিয়ে এমন কিছু কথা বলব যা প্রায় সকলের অজানা ।

 

 

 

 

বেশ্যা বিত্তিকে একটি পেশা হিসাবে মনে করা হয়ে থাকে আর এই খানে অনেক অনেক মেয়ের জীবন শেষ হয়ে যায় ।আর বেরতে পারে না ।আর আপনাদের জানিয়ে রাখি বাংলাদেশে বেশ্যাবিত্তি লিগেল মানা হয় মানে বেয়াইনি বলে মনে করা হয় না ।আর এমনটাই নয় বাংলাদেশের তাঙ্গেল জেলার কান্ডাপার দেশের সব থেকে পুরানো আনুমানিক ২০০ বছরের পুরান বলে মনে করা হয়ে থাকে ।আর দ্বিতীয় সব থেকে বড় বেশ্যালয় বলে মনে করা হয়ে থাকে ।আর এই বেশ্যালয় ২০১৪ সালে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল কিন্তু এখানের স্থানীয় কিছু মানুষ আবার এই সব কিছু শুরু করেছিল ।

 

 

 

 

আর এখান কার মেয়েদের এই সব কাজে কোন আপত্তি নেই তারা নিজের ইচ্ছেয় এই সব কাজ করে থাকে ।আর নিজেরদের ওয়ার্কার হিসাবে সরকারের সামনে রেখেছে ।আর ২০১৪ সালে সকলেই নিজের বাড়ি চলে গিয়েছিল ।আর এখানে খুব কম বয়সের মেয়েদেরকে নিয়ে আশা হয়ে থাকে আর তাদের বয়স ১৩ বছর হাওয়ার পর এই সব কাজে লাগিয়ে দেওয়া হয়ে থাকে ।এই ভাবে তাদের জীবন কাটতে থাকে ।আর এখানে তাদের কোন অধিকার পাওয়া যায় না ।

 

 

 

 

আর এখানে মেয়েরা একজন মহিলার নির্দেশে কাজ করে থাকে আর ততক্ষন চুপ থাকে যতক্ষন কোন ব্যক্তি তাকে কিনে না নেয় ।আর যদি কোন ব্যাক্তি সঠিক দাম দাইয়ে দেয় তাহলে সে নিজের গ্রাহক নিজে বেছে নেয় ।আর এর পরে সে এই ধান্দা ছাড়তে পর্যন্ত পারে ।আর অনেক দিন এই কলঙ্ক জায়গায় থাকার পর সে আর বাইরে যেতে চায় না ,এভাবে কাটে ।