প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:    সুস্থ থাকার জন্য প্রত্যেক মানুষের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা উচিত। জীবনের নানা পর্যায়ে স্বাস্থ্য ভালো থাকার জন্য রোগ সম্পর্কে আগে থেকেই জেনে নেয়াটা তাই বুদ্ধিমানের কাজ। তবে নারীদের ক্ষেত্রে অবশ্যই পাঁচ ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা জরুরি।রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল: অধিক কোলেস্টেরল কিংবা রক্তচাপ, মহিলাদের স্ট্রোক ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই ২০ বছরের বেশি বয়সের নারীদের অবশ্যই বছরে কমপক্ষে দুইবার রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল পরীক্ষা করা উচিৎ।

 

 

 

যৌনমিলনের দ্বারা বাহিত সংক্রমণ: যৌনমিলনের দ্বারা বাহিত রোগ যেকোনও নারীর হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) এর বরাতে জানা যায়, যারা নিয়মিত দাম্পত্য সম্পর্ক যাপন করেন তাদের প্রতি বছর গনোরিয়া ও চামেডিয়া পরীক্ষা করে দেখা উচিত।

 

 

 

 

ডায়াবেটিস:সেন্টার ফর ডায়াবেটিস কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশন ৪৫ বছরের বেশী বয়সের মহিলাদের ডায়াবেটিসের পরীক্ষার সুপারিশ করেছে। বিশেষ করে যাদের ডায়াবেটিসের পারিবারিক ইতিহাস আছে অথবা ওজন বেশী এমন নারীরা কমবয়সী হলেও নিয়মিত এ পরীক্ষাটি করা উচিত।

 

 

 

হাড়ের ক্ষয়: মেরুদণ্ড বা নিতম্বের হাড়ের ক্ষয় মাপা এবং অস্টিওপোরোসিস রোগ নির্ণয়ের জন্য ডুয়াল এনার্জি এক্স-রে অ্যাবজর্পটিওমেট্রি অথবা স্ট্যান্ডার্ড বোন ডেনসিটি পরীক্ষা করা হয়। হাড়ের ঘনত্ব বেড়ে গেলে হাড় ভাঙার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ৬০ বছর ও তার থেকে বেশী বয়সের নারীদের হাড়ের ঘনত্বের পরীক্ষা করা উচিৎ।

 

 

 

 

স্তন ক্যানসার: ৪০ বছর ও তার থেকে বেশী বয়সী নারীদের স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে অবশ্যই ধারণা থাকা দরকার, কারণ এটা বয়স বাড়ার সাথে হতে পারে। মেমোগ্রাম করানোটা দরকার যেহেতু এতে স্তন ক্যান্সারের প্রবণতা হবার সম্ভাবনা বোঝা যায়। মেমোগ্রাম হল স্তনের এক্সরে এবং স্তন ক্যান্সারের প্রাথমিক ধাপ বোঝার ক্ষেত্রে যথেষ্ট কার্যকর।গবেষণা দেখিয়েছে, যে ৪০ বছরের বেশী বয়সী নারীদের ক্ষেত্রে মেমোগ্রাম স্ক্রিনিং স্তনের ক্যান্সারের কারণে মৃত্যুর হার ১০ থেকে ২০ শতাংশ কমায়।