প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:     ত্বকের যত্ন করতে, মেদ কমানোর জন্য ব্যায়ামসহ আরও অনেক কিছু করে থাকি। কিন্তু দেহের অভ্যন্তরীণ ভাগ নিয়ে আমরা চিন্তা করি না। যার কারণে ৩০ পার হতে না হতে প্রেসার, হাড়ের সমস্যা, কোমর, পা ব্যথা শুরু হয়ে যায়। অথচ প্রতিদিন কিছু নিয়ম মেনে চললে অনেক সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। শরীরের অন্যতম অংশ হল হাড়। কিন্ত এই হাড়কে সবচেয়ে বেশি অবহেলা করে থাকি। হাড়ে চাপ পড়ে এমন সব কাজ আমরা সবসময় করে থাকি। ফলশ্রুতিতে কম বয়সেই পা, কোমরের ব্যথা সহ হাড়ের অন্যান্য সমস্যা দেখা দেয়। এই হাড় মজবুত রাখতে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যকর কিছু অভ্যাস।

 

 

 

 

প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার রাখুন। ক্যালসিয়ামের অভাবে পা, কোমড় ব্যথাসহ হাড়ের অন্যান্য সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। নিয়মিত দুধ খেলে ক্যালসিয়ামের অভাব সহজে পূরণ হয়।ক্যাফেইন ক্যালসিয়াম রোধ করে থাকে। দিনে ৩০০ মিলিগ্রাম কফি বা দুই কাপের বেশি কফি পান করা উচিত নয়। এর চেয়ে বেশি কফি পান করলে অব্যশই অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণ করা উচিত।

 

 

 

 

কোমল পানীয় স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, তা আমরা সবাই জানি। এটি হাড়েরও মারাতœক ক্ষতিসাধন করে থাকে। গবেষণায় দেখা যায় কোমল পানীয়তে বিদ্যমান ফসফরিক অ্যাসিড হাড়ের ক্ষয়ের জন্য দায়ী। এবং অতিরিক্ত কোমল পানীয় পানে এতে থাকা কার্বন ডাই অক্সাইড দেহে ক্যালসিয়াম নেয়ার ক্ষমতা কমিয়ে দিয়ে হাড় দুর্বল করে দিয়ে থাকে।

 

 

 

 

ক্যালসিয়ামের সাথে অব্যশই ভিটামিন ডি গ্রহণ করতে হবে। ভিটামিন ডি ক্যালসিয়ামকে শরীরের সাথে মিশে যেতে সাহায্য করে থাকে। চিংড়ি, টুনা মাছ, কমলার রস, ডিমের কুসুমে পাবেন ভিটামিন ডি। এছাড়া সপ্তাহে ৩ দিন ১০-১৫ মিনিটের মত সূর্যের আলো পুরো দেহে পড়তে দিন। ভিটামিন ডি এর সব চাইতে বড় উৎস সূর্যের আলো। সূর্যের আলো দেহের ভিটামিন ডি এর ঘাটতি পূরণ হবে ও হাড় মজবুত করা থাকে।

 

 

 

 

 

শাক সবজি প্রচুর পরিমাণে খান। মাছ মাংসের চেয়ে অনেক গুণ বেশি ক্যালসিয়াম আছে সবুজ শাক সবজিতে যা হাড়ের জন্য অত্যন্ত জরুরী। সবুজ শাক সবজিতে ভিটামিন কে, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম আছে যা হাড় গঠনে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।