প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:     সর্বপ্রথম #MeToo নিয়ে মুখ খুলেছিলেন তনুশ্রী দত্ত। অভিযোগ ছিল নানা পাটেকারের বিরুদ্ধে। বলিউডে এখন #MeToo ঝড়। অনেক অভিনেতা, অভিনেত্রীই কর্মক্ষেত্রে তাঁদের সঙ্গে হওয়া বিভিন্ন রকম যৌনহেনস্থা নিয়ে মুখ খুলছেন। অক্ষয় কুমার, আমির খানের মতো কিছু অভিনেতারা আবার অভিযোগ রয়েছে এমন কোনও অভিনেতার সঙ্গে কাজ করবেন না বলেও ঘোষণা করেছেন।এবার #MeToo নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী প্রীতি জিন্তা। তবে ‘বলিউড হাঙ্গামা’-কে দেওয়া প্রীতি জিন্তার সাক্ষাৎকারে ৫ মিনিটের একটি ভিডিও নিমেষে ভাইরাল হয়ে যায়।

 

 

 

 

 

সাক্ষাৎকার #MeToo নিয়ে প্রীতির বক্তব্য অবশ্য অনেকের থেকেই আলাদা। কর্মক্ষেত্রে যৌন হেনস্থার তাঁর কোনও অভিজ্ঞতা রয়েছে কিনা এবিষয়ে প্রীতি জিন্তাকে প্রশ্ন করা হলে ‘কাল হো না হো’ অভিনেত্রী বলেন, ‘না আমার এধরনের কোনও অভিজ্ঞতা নেই। আমার আফশোস যে আমারও যদি এমন #MeToo অভিজ্ঞতা থাকত তাহলে আমার আজকে হয়ত আপনাদের বলার মতো কিছু থাকতো (হাসি)। একটা কথা খুব সত্যি, মানুষ তোমার সঙ্গে সেভাবে ব্যবহার করবে যেমনটা তুমি সুযোগ দেবে। অর্থাৎ আজ কি সুইটু কাল #MeToo হো স্যকতি হ্যায়।’

 

 

 

 

প্রীতির কথায়, ‘এটা সত্যি যে অনেক ক্ষেত্রে মহিলা ও পুরুষরা তাঁদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে। তবে অনের মহিলা যখন #MeToo-র বিষয়টা নিজেদের পাবলিসিটির জন্য ব্যবহার করছেন, এবং অনেকক্ষেত্রে সিরিয়াস কোনও বিষয় ছাড়াও অকারণই সেই কোনও ঘটনাকে #MeToo-র মধ্যে আনাছেন সেটা অন্যায়। তবে #MeToo-র বিষয়টা শুধু বলিউডেই নয়, সর্বক্ষেত্রেই রয়েছে। তবে তারজন্য গোটা বলিউড ইন্ডাস্ট্রিকে খারাপ বলা অত্যন্ত অন্যায়। কারণ এখানে অনেক ভালো লোকও রয়েছে।’

 

 

 

 

 

‘বলিউড হাঙ্গামা’-কে দেওয়া প্রীতি জিন্তার এই ভিডিওটিই নিমেষে ভাইরাল হয়ে যায়। সমালোচনার মুখে পড়তে হয় প্রীতিকে। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে নেস ওয়াদিয়ার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনেছিলেন। এমন প্রশ্ন তুলে প্রীতির সমালোচনা করেছেন নেটিজেনরা।এদিকে সমালোচনার মুখে পড়ে প্রীতি জিন্তার পাল্টা দাবি তাঁর সাক্ষাৎকারের ভিডিওটি কেটে ছেঁটে জটিল করে পোস্ট করা হয়েছে।প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন পর ‘ভাবিজি সুপারহিট’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে কামব্যক করতে চলেছেন অভিনেত্রী প্রীতি জিন্তা।