প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:    প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে ৬ টা পর্যন্ত অফিসে কাজের চাপ, ভার্সিটিতে পরীক্ষা, অ্যাসাইনমেন্ট আর আশেপাশের বিভিন্ন সমস্যায় আমরা প্রিয়জন থেকে দূরে সরে যাই। সময়ের বেড়াজালে আটকে থাকতে হয়ই। এভাবেই সময় ব্যয় হয়ে যায় ক্যারিয়ার আর একাডেমিক লাইফ এর পেছনে। এসব অবহেলায় সম্পর্কগুলো মলিন থেকে আরও মলিন হতে থাকে। যেকোনো সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে প্রাধান্য টিক করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

 

 

 

 

মেনে চলুন অবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ: আপনার যত বাঁধাধরা রুটিনই হোক না কেন, সঙ্গীকে প্রাধান্যের তালিকায় সবার আগে রাখুন। ক্লাস, অফিস বা ব্যবসার কাজে পুরো সপ্তাহ ব্যস্ত থাকলেও ছুটির দিনে কফিশপ বা মুক্ত পরিবেশে বসে জমে থাকা কথাগুলো বলবেন। চাইলে দূরে কোথায় থেকে ঘুরেও আসতে পারেন।

 

 

 

 

সঙ্গীর জন্য একটা সময়সূচী রাখুন: উভয় পক্ষই যখন ব্যস্ত থাকছেন, তখন দুজনের সুবিধা অনুযায়ী একটা আপোষে আসতে হবে। পরিকল্পনা করার পর ব্যস্ততার জন্য সেটা বাদ হয়ে গেলে সম্পর্কে দূরত্ব চলে আসে। তাই কাজের সঙ্গে সময় মিলিয়ে পরিকল্পনা করুন। সর্বোচ্চ চেষ্টা করুন দেখা করার, সময় দেওয়ার।

 

 

 

 

ছোট ছোট বিষয়গুলো উদযাপন করা: একসঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্তকে উপভোগ ও উদযাপন করা উচিৎ। যেকোনো উপলক্ষ যেমন জন্মদিন, অ্যানিভারসারি, কোনো বিশেষ সাফল্য ইত্যাদি। প্রিয় মানুষটির কোন অর্জন বা সাফল্য উদযাপন করলেও সম্পর্ক সুন্দর থাকবে।

 

 

 

প্রিয় মানুষকে কৃতজ্ঞতা জানান: কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আপনাদের সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে সাহায্য করে। প্রিয় মানুষটির প্রতি আপনি যে কৃতজ্ঞতা বোধ করেন তা সরাসরি প্রকাশ করুন। তাকে জীবনে পেয়ে আপনি ভাগ্যবান, সেটা বার বার বোঝান। অন্তত একটা ছোট ‘ধন্যবাদ’ তো দিন। তাহলে সে বুঝবে যে ব্যস্ততার মাঝেও আপনার জীবনে তার গুরুত্ব কতটুকু।

 

 

 

 

মাঝে মাঝে চমকে দিন: চমকে দেওয়া বা সারপ্রাইজ দেওয়া ভালো সম্পর্কের মূলমন্ত্র। প্রিয় মানুষটি আপনার কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা বোঝাতে ছোট ছোট সারপ্রাইজ দিলে সেটি প্রতিফলিত হয়। ব্যস্ত থাকা সত্ত্বেও যখন প্রিয় মানুষটিকে চমকে দেবেন, তার পছন্দের কোনো উপহার দেবেন। এতে করে সম্পর্ক আরও মধুর হবে।

 

 

 

 

সময় নিন: কাজ যতই জরুরি হোক না কেন, ব্যস্ততার মাঝেই প্রিয়জনের জন্য অবসর সময় বের করুন। তাহলেই কাছের মানুষগুলো চিরদিন কাছেই থাকবে।