প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:  জন্মনিয়ন্ত্রণের অন্যতম পদ্ধতি হচ্ছে জন্মনিরোধক বড়ি বা পিল। আমাদের সমাজে পিল খাওয়া নিয়ে অনেক কুসংস্কার আছে। কেউ কেউ বলেন, জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অবলম্বন করলে বা পিল খেলে পরে আর সন্তান হয় না।আসলে এটি সঠিক না। কখনো কখনো হয়তো সন্তান ধারণে একটু দেরি হয়। পিল পুরোপুরি সন্তান গর্ভে আসা বন্ধ করে দেয়, কিংবা সন্তান ধারন ক্ষমতা নষ্ট করে দেয় এমনটা কিন্তু ঠিক না।আমাদের দেশে খুব একটা ভুল ধারনা আছে ‘পিল’ নিয়ে। বিয়ের পরে মা ও শ্বাশুরী বলেন, পিল খেও না। পিল খেলে কখনো বাচ্চা হবে না।

 

 

 

 

ফলে তারা (মেয়েরা) পিল খাওয়া বন্ধ করে দেয়। যার ফলে সন্তান কনসিভ করে। কনসিভ করার পর তারা ভাবে আমরা এখনো পড়ালেখা করছি। সন্তান নেওয়ার জন্য প্রস্তুত না। ফলে বাচ্চাটা এই মুহূর্তে আমরা চাচ্ছি না। তখন তারা এমআর (মিনস্ট্রুয়াল রেগুলেশন) করায় বা অ্যাবরশন করায়।ফলে তার জরায়ুতে একটা চিরস্থায়ী ইনফেকশন হয়। পরবর্তীতে তার অন্ত:স্বত্ত্বার সম্ভাবনা পুরোপুরি চলে যায়।

 

 

 

 

 

কিন্তু সে যদি পিলটা নিয়মিত খেত তাহলে মাসে মাসে তার মাসিকের সাইকেল ঠিক থাকতো। জরায়ুতে ইনফেকশনের চান্স ছিল না। একটা অপ্রত্যাশিত গর্ভধারনও হতো না।সে যখন সন্তান চাইতো, পিল বন্ধ করে দেওয়ার তিন মাসের মধ্যে গর্ভধারণ হয়ে যেতো।জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি মানলে সন্তান হবে না, এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারনা। আমাদেরকে এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। যদি সে ডিটারমাইন্ড হয় যে, আমি দু`বছর সন্তান নেব না, তাহলে তাকে অবশ্যই জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।যদি নবদম্পতি হয়, তাহলে তাকে আমরা জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি হিসেবে ‘পিল’ খেতে বা ‘কনডম’ ব্যবহারে উৎসাহী করে থাকি।