উত্তম কুমার পাল হিমেল, নবীগঞ্জ(হবিগঞ্জ) হবিগঞ্জ থেকে ॥ হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে বিভিন্ন এলাকাজুড়ে আমন ধানের বাম্পার ফসলের দৃশ্য দেখে কৃষক- কৃষানীরা আনন্দে আত্মহারা। ধানের বাম্পার ফসল সবুজের সমারোহ চোঁখ পড়ছে। এবার আমনের বাম্পার ফলনে হাসি ফুটেছে কৃষক-কৃষাণীর মুখে হাসি। উৎসব মুখর পরিবেশে চলছে ধান কাটার কাজ।

নবীগঞ্জে আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। আমন ধানের এমন ফলনে এ বছর কৃষকের চোখে মুখে হাঁসি ফুটেছে। লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে প্রতি হেক্টরে এবার সাড়ে ৪ থেকে ৫ টন ধান উৎপাদিত হয়েছে।

জানা যায়, আবহাওয়া অনুকূল থাকায় ও কৃষি কর্মকর্তাদের সঠিক পরামর্শে চতুরদিকে আমনের সোনালি ক্ষেত আর ক্ষেত। উপজেলার বিভিন্ন হাওর ও মাঠে সবুজ আর সোনালী ছোপ, বিকালে হালকা বাতাস, সকালে শিশির ভেজায় দূলছে রোপা আমন ধান। সেই সাথে দূলছে কৃষক- কৃষানীর মন। খুশির আনন্দে ঢেউ আছড়ে পড়ছে মাঠে ও গ্রামে। কৃষকদের চোখের কোণে খুশির ঝিলিক ও সোনালী স্বপ্ন দেখা যাচ্ছে। সচ্ছলতার সোপানে দ্রুত পাল্টে যাওয়ার আগমনী বার্তা সু সময়ের হাতছানি। দেশের কৃষকদের এগিয়ে নিতে কৃষিবান্ধব সরকারের সামগ্রীক সহযোগিতায় কৃষকরা উদ্বেলিত। একদিকে কৃষক- কৃষানীরা স্বপ্নের ফসল ঘরে তুলতে প্রচন্ড ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। কেউ কেউ ধানের গোলা তৈরি করে নতুন ধান ঘরে তুলছেন। আবার অনেকেই ইতিমধ্যে সোনালি ধান কাটা ও তোলা শেষ করেছেন।

সরজমিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কিছু কিছু এলাকায় কৃষক পাকা ধান কেটে আঁটি বেঁধে নিয়ে আসছেন। কেউ কেউ মাড়াইয়ের কাজ করছেন। আবার অনেকে ধান সিন্ধ দিচ্ছেন। ঘাম ঝরানো কৃষকরা জানান, এ বছর বেশি বৃষ্টি হওয়াতে ও যথাসময়ে জমিতে সার দিতে পারায় ধানের ফলন আগের তুলনায় অনেক বেশি হয়েছে। এবার আমন ধানের ফলন ভাল হওয়ায় ধান চাষ লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আমনের এমন বাম্পার ফলন হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি অধিদপ্তর।

নবীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দুলাল উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, উপজেলায় এ বছর ১০ হাজার ২শত হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছিলো। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ফলন ভাল হওয়ায় এবার ১১ হাজার ২ শত ৫০ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। প্রতি হেক্টরে সাড়ে ৪ থেকে ৫ টন ধান উৎপাদিত হয়েছে। এবার আশার চেয়ে ফলন অনেক ভাল হয়েছে।

কি কারণে এবছর এমন ফসল হয়েছে তা খোঁজ নিয়ে জানাযায়, বাংলাদেশ ধানের দেশ- গানের দেশ- পাখির দেশ। তাই অগ্রহায়ণে ধান কাটার উৎসব গ্রামবাংলা তথা বাঙালির প্রাচীন ঐতিহ্য। পহেলা অগ্রহায়ণ মানেই ছিল বাঙালি কৃষকের বাড়িতে উৎসবের আমেজ। নতুন ধানের গন্ধে মৌ-মৌ উঠান আর বাড়ি। আবহমান এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে পহেলা অগ্রহায়ণ দিনটি পালন করে আসছে এ দেশের জনগণ নবান্ন উৎসব তথা জাতীয় কৃষি দিবস হিসেবে। হাজারো দিবসের মধ্যে একটি দিবসই নির্ধারিত হয়েছে যাতে দেশের শতকরা ৮৫ ভাগ মানুষের সম্পৃক্ততা রয়েছে। ২০০৮ সালে আর্ন্তজাতিক বাজারে চালের সরবরাহ কমে যাওয়া এবং মূল্য বেড়ে যাওয়ার সময় বাংলাদেশ অর্থ দিয়েও চাল কিনতে পারেনি। প্রতিবেশী দেশ ভারত চাল রপ্তানির ক্ষেত্রে টালবাহানা শুরু করে। তখন আমাদের দেশের নেতাকর্মীদের মধ্যে বোধোদয় হয়। তারা বুঝতে পারে জাতির অস্তিত্ব রক্ষার জন্য কৃষিকে গুরুত্ব দেয়া দরকার। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পহেলা অগ্রহায়ণ মাসের প্রথমদিনকে জাতীয় কৃষি দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন। ওই বছর সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সরকারি ভাবে নবান্ন উৎসবের আয়োজন করা হয়। তারপর ২০০৯ সাল থেকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পহেলা অগ্রহায়ণ পালিত হয় জাতীয় কৃষি দিবস হিসাবে। কৃষি দিবসের প্রধান আকর্ষণ নতুন ধান কাটার উৎসব বা নবান্ন। জাতীয়ভাবে প্রতি জেলা- উপজেলায় এ দিবস উপলক্ষে কৃষি মেলার ব্যবস্থা করা হয়। কৃষি কাজের সঙ্গে জড়িত শ্রেষ্ঠ কৃষকদের জেলা ও উপজেলা কৃষি বিভাগ কৃষি যন্ত্রপাতি দিয়ে সহযোগীতা করে সফল কৃষকদের পুরস্কৃত করে কৃষি কাজে আরও আগ্রহ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। কৃষি বিশ^বিদ্যালয় ও কৃষির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গুলোতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পালিত করে জাতীয় কৃষি দিবস। নবান্ন উৎসব হলো বাঙালি জাতির ঐতিহ্য, যার মধ্য দিয়ে বাঙালিকে জাগ্রত করে তোলা।

 

নবান্ন উৎসব আবহমান বাংলার চিরায়ত প্রথা হিসেবে চলে আসছে। হাজার বছর ধরে এ দেশে অগ্রহায়ণ মাসে আমন ধান কাটার সময় নবান্ন উৎসব করেন চাষিরা, এ উৎসবকে কেন্দ্র করে বাঙালিদের মনে ব্যাপক উৎসাহ- উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়। নতুন ধানের পিঠা, মুড়ি, চিড়া, খইসহ নানা খাবারের ঘ্রাণে ভরপুর ও আনন্দ উৎসব দেখা যায় গ্রামীণ জনপদে। কালের বির্বতনে অনেক কিছু পরির্বতন হলেও কৃষকরা নবান্ন উৎসব পালন করতে ভুলে যাননি আজও। বাংলার মুসলিম কৃষক সমাজ অগ্রহায়ণের প্রথম শুক্রবার থেকে নবান্ন উৎসব শুরু করে। সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের কৃষকরা তাদের পঞ্জিকা অনুসারে ১ অগ্রহায়ণ থেকে নবান্ন উৎসব পালন করে থাকেন। বাংলাদেশের পাহাড়ি জনপদে চলে নতুন ধানের নবান্ন উৎসব। আইওয়াতে ২০০৫ সাল থেকে প্রতি বছর ১০ থেকে ১২ জুলাই এর মধ্যে তিনদিনব্যাপী কৃষি দিবস পালিত করা হয়। উত্তর ক্যারেলিনায় ৩১ জুলাই থেকে ২ আগস্ট এর মধ্যে তিন দিনব্যাপী ১১ পর্বে এবং যুক্তরাষ্ট্রের কিমব্যালে ২৭ সেপ্টেম্বর ১৩ পর্বে উদযাপিত হয় কৃষি দিবস। আফগানিস্তানে ইংরেজি ২০ মার্চ নওরোজ উদযাপনের দিন পালিত হয় কৃষি উৎসব। স্থানীয়ভাবে একে বলা হয় যাসনি দেহকান বা কৃষকের উৎসব। আমাদের কৃষিক্ষেত্রে অনেক সাফল্য এলেও বতর্মানে একটি সমস্যা ক্রমেই প্রকট হয়ে উঠছেÑ আবাদি জমির সঙ্কোচন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নগরায়ণ, শিল্পায়ন ও বাড়তি জনসংখ্যার বসতবাড়ি নিমার্ণে প্রতি বছর প্রায় ০.৭ শতাংশ হারে আবাদি জমি হ্রাস পাচ্ছে, অন্যদিকে প্রতি বছর জনসংখ্যা বাড়ছে ১ দশমিক ৪৭ শতাংশ হারে প্রায় ২৩ লাখ। ক্রমহ্রাসমান জমি থেকে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা পূরণের জন্য কৃষক রোদ -বৃষ্টি, শীত, প্রাকৃতিক দুযোর্গ, অভাব-অনটন, ক্ষুধা সহ হাজারো সমস্যা উপেক্ষা করে খাদ্য উৎপাদন করছেন দেশের প্রায় ১৭ কোটি মানুষের জন্য। তা সত্ত্বেও জনবহুল এ দেশের সীমিত চাষের জমি, জলবায়ুর বিরূপ প্রতিক্রিয়া ও নানা প্রাকৃতিক দুযোর্গের কারণে টেকসই কৃষি উন্নয়নে রয়েছে নানাবিধ চ্যালেঞ্জ। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করণ এবং লাভজনক কৃষি খ্যাত গড়ে তোলার লক্ষ্যে ফসল, প্রাণিসম্পদ, মৎস্য সম্পদ, কৃষি প্রকৌশল, কৃষি অথর্নীতি এবং কৃষি শিল্প ও বাণিজ্যে যথোপযুক্ত প্রযুক্তি উদ্ভাবন, হস্তান্তর এবং উপকরণ ব্যবস্থাপনায় কৃষি বিজ্ঞানীদের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। আগামী দিনের বর্ধিত খাদ্যের চাহিদা পূরণ, পুষ্টি সমস্যা নিরসন, দারিদ্র্য বিমোচন, কমর্সংস্থান সৃষ্টি, কৃষি পণ্যের আমদানি হ্রাস ও রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাতীয় কৃষি গবেষণা সিস্টেমের আওতাধীন ১৩টি কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান এই পর্যন্ত বিভিন্ন ফসলের ৭ শতাধিক উন্নত জাত উদ্ভাবন করেছে। তা ছাড়া বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা পাটের জিনকোড আবিষ্কারের কৃতিত্বও দেখিয়েছেন। কৃষকদের শ্রম, কৃষিবীধ সম্প্রসারণ তদারকি, কৃষি বিজ্ঞানীদের গবেষণা ও সরকারের সহযোগীতায় বাংলাদেশ রেকর্ড গড়েছে কৃষি কাজে। স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশে ধানের উৎপাদন বেড়েছে ৩ গুণেরও বেশি, গম দ্বিগুণ, সবজি ৫ গুণ এবং ভুট্টার উৎপাদন বেড়েছে ১০গুণ। প্রতি হেক্টরে ১০.৩৪টন খাদ্যশস্য উৎপাদন করে বাংলাদেশের ওপরে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এবং পরে রয়েছে আর্জেন্টিনা, চীন ও ব্রাজিল। আর এভাবেই প্রধান খাদ্যশস্যের উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিশ্বের শীষর্স্থানীয় দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশ। অভ্যন্তরীণ মৎস্য, ধান, চা ও ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে চতুর্থ স্থানে। ফসলের জাত উৎপাদন ও সবজি আবাদি জমির পরিমাণ বৃদ্ধিতে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ। তবে, পাট উৎপাদনে দ্বিতীয় হলেও পাট রপ্তানিতে বিশ্বে প্রথম। এ ছাড়া আম উৎপাদনে সপ্তম, আলু ও পেয়ারা উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে অষ্টম। কৃষি খ্যাত বাংলাদেশের অথর্নীতির মেরুদ-। মোট ১৫০ উৎপাদনের হিসেবে জিডিপিতে ২০১৭-১৮ অথর্বছরে কৃষি খ্যাতের অবদান শতকরা ১৪.১০ শতাংশ এবং কমর্সংস্থানে ৪০.৬ শতাংশ দেওয়া হয়েছে। স্বাধীনতার ঠিক পরে ১৯৭২ সালে দেশে খাদ্যশস্য উৎপাদন হয়েছিল ১ কোটি ১০ লাখ মেট্রিক টন, যা সাড়ে ৭ কোটি মানুষের জন্য পর্যাপ্ত ছিল না। কিন্তু আজ আমাদের বাংলাদেশের ১৭ কোটি জনসংখ্যার মানুষ বিশ্বের দরবারে খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশ হিসেবে স্বীকৃতপ্রাপ্ত। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জলবায়ু পরির্বতনের সঙ্গে কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থার সফল অভিযোজনের ফলে এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে প্রতি বছর ধান, গম, ভুট্টা মিলিয়ে ৪ কোটি ১৩ লাখ টন খাদ্যশস্য উৎপাদন হচ্ছে আমাদের বাংলাদেশে। প্রতি হেক্টর ভুট্টা উৎপাদনে বিশ্বে গড় ৫ দশমিক ১২ টন, বাংলাদেশে এর হার ৬.৯৮ টন। কৃষিজাত পণ্য খাতে ২০১৭-১৮ অথর্বছরে রপ্তানি আয় হয়েছে ৬৭ কোটি ৩৭ লাখ মার্কিন ডলার। যা বিগত বছরে একই সময়ের আয়ের তুলনায় ২১.৭৯ শতাংশ বেশি যা ৫৫ কোটি ৩১ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার। কৃষির সার্বিক উন্নয়নে কৃষিবান্ধব নীতি ও সময়োপযোগী বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বর্তমান সরকার। ১০ টাকায় কৃষক হিসাব উন্মুক্তকরণ, কৃষিতে ভর্তুকি, বাড়তি সেচ সুবিধা, রেকর্ড পরিমাণ কৃষিঋণ বিতরণ, সম্প্রসারিত কৃষি গবেষণা, কৃষি কার্ড বিতরণ, কৃষক ডাটাবেজ তৈরি, কৃষি জমিতে উপকরণ আমদানিতে সহায়তা প্রদান কৃষির ব্যাপারে সরকারি সদিচ্ছার প্রকৃত উদাহরণ। কৃষি কলসেন্টার, সারাদেশে বিভিন্ন ধরনের আইসিটি যন্ত্রপাতি সরবরাহ এবং বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কৃষিবিষয়ক তথ্যাদি দ্রুুত আদান- প্রদান ও সবার জন্য কৃষি তথ্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। নিরাপদ ও কৃষিজ উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা, লাভজনক, উৎপাদনশীল, পরিবেশ বান্ধব ও টেকসই প্রবৃদ্ধি অজর্ন করার পাশাপাশি ফসলের উৎপাদনশীলতা ও কৃষকের আয় বৃদ্ধি, শস্য বহুমুখীকরণ, পুষ্টিসমৃদ্ধ নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন করার লক্ষ্যে কৃষিনীতি ২০১৮ অনুমোদন দিয়েছে সরকার। মেহনতি মানুষের স্বাথরর্ক্ষায় কবি নজরুল লাঙ্গলের মাধ্যমে সমস্যা জর্জরিত কৃষকের পক্ষে যে দাবিগুলো পেশ করলেন, তার ঐতিহাসিক তাৎপর্য রয়েছে। কৃষক যাতে তার উৎপন্ন ফসল থেকে উপযুক্ত মুনাফা পান, জমিতে তার কায়েমি স্বত্ব বজায় থাকে এবং তার জমি থেকে তাকে উচ্ছেদ করা না যায় এ জন্য দাবিগুলো আজকের দিনেও শুধু কৃষক নয়, গোটা জাতির কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় কৃষি দিবস বাঙালির জনজীবনে অনাবিল আনন্দ, সুখ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক আর কৃষকের অধিকার নিশ্চিত হোক এ প্রত্যাশা রইল।