প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:    জামানত বাজেয়াপ্তের মাধ্যমে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আয় হয়েছে তিন কোটি ৬০ লাখ টাকা।সংসদ নির্বাচনে প্রত্যেক প্রার্থীকে ২৫ হাজার টাকা জামানত দিতে হয়, যা ইসি সচিবের নামে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় ব্যাংকে রাখতে হয়।

 

 

 

 

এবারের নির্বাচনে এক হাজার ৮৬১ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এদের মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও শরিকদের মিলিয়ে নৌকা মার্কায় ২৭২ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।আর ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি ও শরিকদের প্রার্থী ছিল ২৮২ জন। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী ছিল ২৯৯টি আসনে।

 

 

 

 

 

এদের মধ্যে বিএনপি ও শরিক দল, ইসলামী আন্দোলন, স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ এক হাজার ৪৪০ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।সংসদ নির্বাচনের আইন অনুযায়ী, কোনো আসনের নির্বাচনের প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগের চেয়েও কম ভোট পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের জামানত বাতিলের বিধান রয়েছে।

 

 

 

 

 

সেই মোতাবেক এক হাজার ৪৪০ প্রার্থীর জামানত ছিল তিন কোটি ৬০ লাখ টাকা, যা ইসি সচিবের নামে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় ব্যাংকে রাখতে হয়েছিল। আইন অনুযায়ী-এ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হবে।

 

 

 

 

 

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্বাচন পরিচালনা শাখার কর্মকর্তারা জানান, জামানত বাজেয়াপ্তদের তালিকা করা হচ্ছে। শিগগিরই তাদের বাজেয়াপ্ত জামানত সরকারি কোষাগারে জমা করা হবে।