প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:    বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ ওঠার পরও পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোর পক্ষ থেকে নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়কে স্বাগত জানানো হচ্ছে। এ ছাড়া নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও কোনো প্রশ্ন নেই তাদের।এমন প্রতিক্রিয়ায় আশাহত হয়ে পড়েছে বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনগুলো।

 

 

 

 

বিভিন্ন অভিযোগে উদ্বেগ ও স্বচ্ছ তদন্তের কথা বলা হলেও সরাসরি সেগুলোকে নিন্দা করা হয়নি।নির্বাচনের দিন সহিংসতা, বিরোধীদের প্রচার ও বহু ভোটারকে ভোট দিতে বাধা-এসব নানা বিষয় তারা খেয়াল করেছেন বলে পশিচমা বিশ্বের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। কিন্তু এসব ব্যাপারে সরাসরি শক্ত নিন্দা জ্ঞাপন করা হয়নি।

 

 

 

 

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ এক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, এটি ঠিক যে আমরা ভেবেছিলাম ওরা আরেকটু কড়াভাবে তাদের প্রতিক্রিয়াটা ব্যক্ত করবেন। কিন্তু কূটনৈতিক কারণে সেটি হয়তো করেননি। আমাদের একটু অপেক্ষা করতে হবে। দেখতে হবে।নির্বাচনের দিন সন্ধ্যায় বিরোধী জোট থেকে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তোলা হয়।

 

 

 

 

এসব অভিযোগের ব্যাপারে উদ্বেগ জানিয়ে স্বচ্ছ তদন্তের কথা বলা হয়েছে পশ্চিমা দেশগুলোর পক্ষ থেকে।যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে নির্বাচন ঘিরে এসব অভিযোগকে দুঃখজনক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।নানা অভিযোগে নির্বাচনকে কলুষিত করেছে বলে মন্তব্য করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।অনিয়মের অভিযোগের বিষয় সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে বলেছে যুক্তরাষ্ট্র।

 

 

 

 

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, কোন দেশ কীভাবে এটিকে মূল্যায়ন করল এর চেয়ে বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে-বাংলার মানুষ কীভাবে নির্বাচনটাকে নিয়েছে। আমাদের পার্শ্ববর্তী যে দেশগুলো ছিলও তার সবাই এ বিজয়কে অভিনন্দন জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রও পজিটিভ প্রতিক্রিয়া দিয়েছে।

 

 

 

 

 

নির্বাচনের পর ক্ষমতাশালী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে চীন ও ভারতের পক্ষ থেকে খুব দ্রুত এবং সরাসরি নির্বাচনে জয়ের জন্য শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

 

 

 

 

 

এ বিষয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, তারা হয়তো এ রকমটিই চেয়েছিল। তারা খুশি হয়েছে বলেই দ্রুত জানিয়েছেন।ইকুয়ালি চীনের এখানে বড় একটি বিনিয়োগ আছে। ভারতের সঙ্গে তাদের একটি প্রতিযোগিতাও আছে। দুই দেশের এ বিবৃতি প্রতিযোগিতামূলকও হতে পারে।