প্রথমবার্তা,প্রতিবেদকঃ    গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১০ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।এর আগে হলি আর্টিজানের ওয়েটার আশরাফুজ্জামান ও খণ্ডকালীন ইলেকট্রিশিয়ান লাজারুশ সরেন আদালতে সাক্ষ্য দেন। ওই দুজনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ওই দিন ধার্য করেন। এ নিয়ে মামলায় আটজনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হল।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

হলি আর্টিজানের ওয়েটার আশরাফুজ্জামান জবানবন্দিতে বলেন, ২০১৬ সালের ১ জুলাই হলি আর্টিজান রেস্টুরেস্টে ওয়েটার পদে কর্মরত ছিলাম। রাত সাড়ে ৮টা থেকে পৌনে ৯টার দিকে একটা বিকট শব্দ শুনতে পাই। শব্দটা কিসের জানার চেষ্টা করি। দেখি মেইন গেটের ভিতরে অস্ত্রধারী দুই যুবক দাঁড়িয়ে আছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

এরপর আরও দু’একটা শব্দ শুনতে পাই। শব্দ শুনে দৌড়ে পিজা রুমের পাশ দিয়ে পকেট গেট দিয়ে বের হয়ে লেকভিউতে আশ্রয় নিই। রাত ১২টার দিকে র‌্যাবের সদস্য পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি ভিতরে প্রবেশ করে। এরপর আমাদের স্টাফ ও লেকভিউ স্টাফদের একটা কক্ষে আটকে রাখা হয়। সেখান থেকে আমরা সারারাত গুলির শব্দ শুনতে পাই। পরদিন সকাল ১০টার দিকে পুলিশ এসে আমাদের রুম খুলে দেয়। আমাকে পুলিশ হলি আর্টিজানের ভেতর দিয়ে নিয়ে যায়। সেখানে অনেক লাশ ও রক্ত দেখতে পাই।

 

 

 

 

 

 

 

 

২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে দুই পুলিশসহ দেশি-বিদেশি ২২ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযান ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ডে’ পাঁচ জঙ্গি নিহত হয়। অভিযানে এক জাপানি ও দু’জন শ্রীলঙ্কানসহ ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।