প্রথমবার্তা,প্রতিবেদকঃ   দিনে একটি ডিম আমাদের শরীরের জন্য খুবই দরকার। তাই সকালে বা বিকেলে অনেকেই ডিম খেয়ে থাকেন। তবে কুসুমের রঙের পার্থক্য দেখে কোনটি বেশি পুষ্টিকর তা নিয়ে কেউ কেউ চিন্তায় থাকেন।বিশ্বের নানা গবেষণায় প্রমাণ হয়েছে, সাদা বা লালচে, দুই ধরণের ডিমেরই পুষ্টিগুণ প্রায় সমান। ৫০ গ্রাম ওজনের ডিমে ৭২ ক্যালোরি ও ৪.৭৫ গ্রাম ফ্যাট থাকে। রং বদলায় কেবল মুরগির খাদ্যের উপর নির্ভর করে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

পুষ্টিবিদদের মতে, ডিমের কুসুম সুষম খাবার। কিন্তু কুসুমের রঙের সাথে কী পুষ্টিগুণের কোনো সম্পর্ক আছে। ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচার সম্প্রতি একটি গবেষণা বলে, কুসুমের রঙের এই পার্থক্যের কারণ মুরগির খাবার ও মুরগি কতক্ষণ খোলা জায়গায় ঘুরে বেড়ানোর তার উপর।সাধারণত, প্রকৃতি থেকে পুষ্টিকর খাবার খুঁজে খাওয়া মুরগির ডিমে ভিটামিন ই, এ এবং ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমান বেশি।

 

 

 

 

 

 

 

 

কৃত্রিম উপায়ে রাসায়নিকের মাধ্যমে শরীরে পুষ্টিগুণ প্রবেশ করানো মুরগির ক্ষেত্রে এমন হয় না। তাই গাঢ় কুসুমের পুষ্টিগুণ পেতে কেবল রঙ দেখলেই হবে না, বরং মুরগি কোথায় পালন করা হয় তা জানতে হবে।