প্রথমবার্তা,প্রতিবেদকঃ   এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টির ন্যায় মহাজোট থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা কি তাহলে বিরোধী আসনে বসবেন? এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে সর্বত্র। বর্তমান মন্ত্রিসভায় মহাজোট কিংবা ১৪ দলের কাউকে অন্তর্ভুক্ত না করায় এ প্রশ্ন এখন সবার মাঝে। বিএনপি একাদশ সংসদে না থাকায় কার্যকর বিরোধী দলের ভূমিকা রাখতে জাতীয় পার্টির পাশাপাশি মহাজোটের অন্যতম শরীক দল জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ), বাংলাদেশ ওয়াকার্স পার্টি, জাতীয় পার্টি (জেপি), বিকল্পধারা বাংলাদেশ, তরিকত ফেডারেশন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা এবার ট্রেজারি বেঞ্চে বসছেন না এটা মোটামুটি নিশ্চিত। সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা এবং সংসদকে কার্যকর করার স্বার্থে মহাজোটের শরীক দলগুলোকে জাতীয় পার্টির পাশপাশি বিরোধী আসনে রাখার ব্যাপারে ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

 

 

 

 

 

 

 

এদিকে, মহাজোটের অন্যতম শরীক জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু গত বৃহস্পতিবার দেখা করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে। মহাজোটের সঙ্গে জাসদের সর্ম্পক এবং সংসদে জাসদ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভূমিকা কী হবে তা নিয়েও খোলামেলা কথা বলেন উভয় নেতা। তবে মহাজোট থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে বিরোধী আসনে বসবেন কিনা সেটা নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রিপরিষদে স্থান না পাওয়া হেভিওয়েট নেতাদের সংসদে বিশেষ ভূমিকায় দেখা যাবে। জাতীয় সংসদের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে হেভিওয়েট নেতাদের স্থান দেবে দলটি। এক্ষেত্রে জাতীয় সংসদকে প্রাণাবন্ত রাখার জন্য প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির পাশাপাশি ১৪ দলের নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা এবার ভিন্ন রকম ভূমিকায় থাকবেন সংসদে।