প্রথমবার্তা,প্রতিবেদকঃ    জামাতকে ছাড়া নিয়ে বিএনপি যখন চাপে আছে তখন তাদের উপর নতুন চাপ এসেছে আন্তর্জাতিক কূটনীতিক মহল থেকে। বিএনপিকে নেতৃত্ব পরিবর্তনের চাপ দেয়া হচ্ছে। কূটনীতিকরা বলছেন, যেহেতু খালেদা জিয়া জেলে এবং তারেক জিয়া দেশের বাইরে, সেহেতু বিএনপির মধ্য থেকে নতুন নেতৃত্ব বেছে নিতে যাদের সঙ্গে কূটনীতিকরা নীতি নির্ধারণী বিষয়ে কথা বলতে পারে।

 

 

 

 

 

কূটনীতিক সূত্রে জানা গেছে বিএনপি নির্বাচনের আগে এবং নির্বাচনের পরে একাধিকবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে কথা বলেছে। এসকল আলাপ আলোচনায় বিএনপির যে সমস্ত নেতা উপস্থিত ছিলেন তারা কেউই সিদ্ধান্তমূলক কোন বক্তব্য দিতে পারেনি বলে জানিয়েছেন কূটনীতিকরা। কারণ তাদের কারোরই সিদ্ধান্ত দেয়ার ক্ষমতা নেই। যে কারণে গত সপ্তাহে মার্কিন দূতাবাস এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বিএনপিকে বলা হয়েছে তাদের নেতৃত্ব পরিবর্তন করতে। এমন নেতৃত্ব দিতে হবে যারা সিদ্ধান্ত দিতে পারেন এবং নীতি নির্ধারণী বক্তব্য রাখতে পারেন।

 

 

 

 

 

ইউরোপীয় ইউনিয়নের একজন কূটনীতিক বলেছেন যে, বিএনপি সঙ্গে আলোচনার পর তাদের সিদ্ধান্তের জন্য তাকিয়ে থাকতে হয়। হয় লন্ডন থেকে তারা সিদ্ধান্ত পান অথবা বিভিন্ন মাধ্যমে জেল থেকে। যখন কূটনীতিকদের সঙ্গে তারা বৈঠক করেন তখন আমাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর তারা দিতে পারেন না।

 

 

 

 

তাছাড়া তারেকের ব্যাপারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি আপত্তি রয়েছে। জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা, মানি লন্ডারিংয়ের মতো বেশ কিছু অভিযোগ তারেকের বিরুদ্ধে রয়েছে। এজন্য বিএনপিকে এখন কূটনীতিকরা বলেছেন যে,খালেদা জিয়া এবং তারেককে বাদ দিয়ে দলের মধ্য থেকে নতুন নেতৃত্ব বাছাই করার জন্য।

 

 

 

 

 

একদিকে জামাত নিয়ে বিএনপি চাপে রয়েছে, তার মধ্যে এখন নেতৃত্ব পরিবর্তনের চাপ। এই দ্বিমুখী চাপ বিএনপিকে আরও বিপদে ফেলবে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।