প্রথমবার্তা,প্রতিবেদকঃ   মাঝেমাঝে সবারই দেখতে ইচ্ছে করে যে আজ থেকে ৫-১০ বছর আগে আমি দেখতে কেমন ছিলাম। চেহারা ঠিক কতোটুকু বদলেছে, স্বাস্থ্য কি বাড়লো নাকি কমলো সেগুলো জানতে মন চাইতেই পারে। নিজের অল্প বয়সের ছবি দেখতে ভালো লাগে। ছবির সঙ্গে জড়িয়ে খাকে অনেকগুলো স্মৃতিও। সেই ছবিকে সবার সামনে নিয়ে আসার এক দুর্দান্ত ট্রেন্ড নিয়ে এসেছে সোশ্যাল মিডিয়াগুলো। সেখানে ব্যবহারকারীরা ১০ বছর আগের ছবির সঙ্গে তুলনা করতেই বর্তমানের একটা ছবি জুড়ে দিচ্ছেন।

 

 

 

 

 

 

 

এটা মূলত একটা সোশ্যাল মিডিয়া ট্রেন্ড। এটি পরিচিত ১০ ইয়ার চ্যালেঞ্জ বা গ্লো আপ চ্যালেঞ্জ নামে। সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্টগুলো যেমন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও টুইটারে জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই চ্যালেঞ্জ।এই ট্রেন্ড অতিমাত্রায় ভাইরাল হওয়ার পর অনেকেই সন্দেহ প্রকাশ করছেন। শখের বশে বা হুজুগে চ্যালেঞ্জটি নিয়ে ব্যবহারকারীরা নিজেদের বয়স সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ফেসবুকের হাতে তুলে দিচ্ছে কিনা- সেটা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে।

 

 

 

 

 

 

 

এ বিষয়ে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন,  ফেসবুক নাকি এই ছবিগুলো থেকে তথ্য নিয়ে ফেশিয়াল রিকগনিশন অ্যালগরিদমের উন্নয়ন ঘটাচ্ছে। নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটি স্টার্ন স্কুল অব বিজনেসের অধ্যাপক অ্যামি ওয়েব এ বিষয়ে জানিয়েছেন, মেশিন লার্নিংকে উন্নত করার সুবর্ণ সুযোগ এটি, ফেসবুক সেই সুযোগটি নিচ্ছে। তারা এমনভাবে মেশিন লার্নিংকে প্রশিক্ষণ দিতে পারছে যাতে করে ভবিষ্যতে ব্যবহারকারীদের চেহারার সামান্য পার্থক্যও ধরতে পারবে সিস্টেমটি।উল্লেখ্য, এই গত সপ্তাহে ১০ ইয়ার চ্যালেঞ্জটির শুরু ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও টুইটারে। এখন পর্যন্ত ফেসবুক মালিকানাধীন ইনস্টাগ্রামে এ সংক্রান্ত ১৬ লাখ ছবি পোস্ট করা হয়ে গেছে। বিগত তিনদিনে ফেসবুকে ৫২ লাখ ছবি পোস্ট হয়েছে।

তবে ফেসবুক বলছে, এই ট্রেন্ড তারা নিজেদের সুবিধার্থে ছড়ায়নি।