প্রথমবার্তা,প্রতিবেদকঃ  প্রশ্ন : ফজর ও মাগরিবের ফরয নামাযের পর সূরা হাশরের শেষ ৩ আয়াত পড়ার ফজীলত ও দলীল জানতে চাই।

উত্তর :

عن معقل بن يسار عن النبي صلى الله عليه و سلم قال من قال حين يصبح ثلاث مرات أعوذ بالله السميع العليم من الشيطان الرجيم وقرأ ثلاث آيات من آخر سورة الحشر وكل الله به سبعين ألف ملك يصلون عليه حتى يمسي وإن مات في ذلك اليوم مات شهيدا ومن قالها حين يمسي كان بتلك المنزلة

অর্থঃ হযরত মাকল ইবনে ইয়াসার (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি সকালে أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِنْ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ এই দু’আ তিনবার পড়ে সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত পড়বে, আল্লাহ তাআলা তার জন্য সত্তর হাজার ফেরেশতা নিযুক্ত করেন, যারা সন্ধ্যা পর্যন্ত তার জন্য মাগফেরাতের দুআ করতে থাকে। আর সে ঐ দিন মৃত্যুবরণ করলে শহীদ হিসেবে মৃত্যুবরণ করবে। আর কেউ উক্ত আয়াতগুলো (তিনবার উপরোক্ত দুআসহ) সন্ধায় পড়লে অনুরূপ হবে। (অর্থাৎ সকাল পর্যন্ত ফেরেশতারা তার জন্য মাগফেরাতের দুআ করতে থাকবে)-সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং ২৯২২; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং ২০৩৬

 

 

 

 

 

উল্লেখ্য যে, উক্ত দুআটি তিনবার পড়ে অতঃপর بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ বলে আয়াত তিনটি তিলাওয়াত করবে।

সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত-
هُوَ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ هُوَ الرَّحْمَنُ الرَّحِيمُ. هُوَ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْمَلِكُ الْقُدُّوسُ السَّلَامُ الْمُؤْمِنُ الْمُهَيْمِنُ الْعَزِيزُ الْجَبَّارُ الْمُتَكَبِّرُ سُبْحَانَ اللَّهِ عَمَّا يُشْرِكُون. هُوَ اللَّهُ الْخَالِقُ الْبَارِئُ الْمُصَوِّرُ لَهُ الْأَسْمَاء الْحُسْنَى يُسَبِّحُ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ

 

 

 

 

 

অর্থঃ

তিনিই আল্লাহ তা’আলা, তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই; তিনি দৃশ্য ও অদৃশ্যকে জানেন তিনি পরম দয়ালু, অসীম দাতা।

তিনিই আল্লাহ তিনি ব্যতিত কোন উপাস্য নেই। তিনিই একমাত্র মালিক, পবিত্র, শান্তি ও নিরাপত্তাদাতা, আশ্রয়দাতা, পরাক্রান্ত, প্রতাপান্বিত, মাহাত্নøশীল। তারা যাকে অংশীদার করে আল্লাহ তা’ আলা তা থেকে পবিত্র।

তিনিই আল্লাহ তা’আলা, স্রষ্টা, উদ্ভাবক, রূপদাতা, উত্তম নাম সমূহ তাঁরই। নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সবই তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাময়।