প্রথমবার্তা,প্রতিবেদকঃ   কি ধরনের প্যান্টি পরছেন তার উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। প্যান্টি শুধুমাত্র গোপনাঙ্গ ঢেকে রাখার প্রয়োজনীয়তা নয়। ঠিকঠাক পোশাকের নীচে উপযুক্ত ডিজাইনের প্যান্টি না পরলে খারাপ দেখতে লাগে তো বটেই পাশাপাশি হতে পারে রোগ-ব্যাধিও।বয় শর্টস দেখতে একেবারেই ছেলেদের ব্রিফের মতো। সবচেয়ে আরামদায়ক এই প্যান্টি অনেকটা আয়তাকার হয়। তাই নিতম্বের পরিবর্তে থাইতে থাকে লোয়ার প্যান্টিলাইন। যাঁরা থং বা জি-স্ট্রিং পরতে অস্বস্তি বোধ করেন তাঁরা বডি-ফিটিং ড্রেস বা কুর্তির তলায় এই ধরনে‌র প্যান্টি পরলে পোশাকের উপর থেকে বোঝা যাবে না।

 

 

 

 

ব্রিফ কোমর থেকে নিতম্ব, সম্পূর্ণ ঢেকে রাখে গ্র্যানি প্যান্টি। সারাদিন পরে থাকার পক্ষে খুব ভাল। এই ধরনের প্যান্টি কিনলে পিমা কটন, বা লাইক্রার কেনাই ভাল। দেখতে টামি টাকার-এর মতো হলেও এটা কিন্তু আসলে তা নয়। ব্রিফ আর বয় শর্টস, দুই-ই জগিং বা এক্সারসাইজ করার সময় পরলে ভাল ।বিকিনি বিকিনি প্যান্টির বিশেষত্ব হল এর প্যান্টিলাইন বেশ সরু। এখন লো-ওয়েস্ট জিন্‌স পরার চল খুব বেশি। তেমন কিছু পরলে বিকিনি প্যান্টি পরাই ভাল।সিমলেস সিমলেস প্যান্টি হল সেইগুলি যেখানে প্যান্টির বর্ডার এমনভাবেই বানানো যাতে পোশাকের উপর থেকে চোখে না-পড়ে। লেগিংসের সঙ্গে বডি-হাগিং টপ বা কুর্তি পরলে ভিতরে পড়ুন এই প্যান্টি। বিকিনি, হিপস্টার বা গ্র্যানি প্যান্টি, সব কিছুরই সিমলেস ডিজাইন পাওয়া যায়।

 

 

 

 

 

থং এই ধরনের প্যান্টি পরার চল বেশি বিদেশে। প্যান্টিলাইন যাতে পোশাকের উপর থেকে বোঝা না যায়, তার জন্যই এমন ডিজাই । ফর্মাল ট্রাউজার, বডি-হাগিং ফর্মাল বা ককটেল ড্রেসের ভিতরে এই প্যান্টি পরলে একটুও বোঝা যাবে না। তবে এক্সারসাইজ বা খেলাধূলা করার সময় কখনোই এই প্যান্টি নয়, আহত হতে পারে গোপনাঙ্গ, ইনফেকশনও ছড়াতে পারে।জি-স্ট্রিং থং-এর চেয়েও মিনিমাল যদি কিছু হয়, তবে তা হল জি-স্ট্রিং। সারাদিন পরে থাকার পক্ষে একেবারেই আরামদায়ক নয় আর কখনোই পরা উচিত নয় জিম বা এক্সারসাইজ করার সময়। তবে ব্যক্তিগত সময়ে, সঙ্গীর দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আদর্শ।ব্রাইডাল বিয়ের প্রথম রাত স্মরণীয় করে রাখতে বাজারে রয়েছে অসংখ্য ব্রাইডাল প্যান্টি। ফেব্রিক থেকে ডিজাইন, নানা রকম এক্সপেরিমেন্ট করা হয়। সচরাচর এগুলি লেস বা স্বচ্ছ ‘তুলে’ ফেব্রিক দিয়ে তৈরি।