প্রথমবার্তা,প্রতিবেদকঃ  ব্রিটিশ রানী এলিজাবেথের স্বামী প্রিন্স ফিলিপ তার ড্রাইভিং লাইসেন্স ফিরিয়ে দিয়েছেন। বাকিংহ্যাম প্যালেসের সূত্রকে উদ্ধৃত করে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম । গত মাসের ১৭ তারিখে ৯৭ বছর বয়সী প্রিন্স এক দুর্ঘটনায় পড়ার পর এই সিদ্ধান্ত ।৯৭ বছর বয়সী বয়সজনিত কারণে প্রিন্স ফিলিপ ২০১৭ সালে সকল প্রকার আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব থেকে অবসর নেন। বর্তমানে রাজ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এবং চার্চে গিয়ে তিনি সময় পার করছেন। তবে এই বয়সেও ফিলিপ প্রায়ই নিজে গাড়ি চালান। ২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং তার স্ত্রীকে নিজে গাড়ি চালিয়ে মধ্যাহ্নভোজে নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি।

 

 

 

 

১৭ জানুয়ারি একটি ল্যান্ড রোভার চালানোর সময় প্রিন্স ফিলিপ ইংল্যান্ডের রাজপ্রাসাদ সান্দ্রিংহ্যামের কাছে একটি গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে ওই গাড়ির একজন নারী যাত্রী আহত হন। ওই নারীর বয়স ২৮ বছর। তার হাঁটু কেটে যায় মারাত্মকভাবে। তার গাড়িতে একটি ৯ মাস বয়সী শিশুসহ ৪৫ বছর বয়সী আরেকজন নারী ছিলেন।দুর্ঘটনায় তার কব্জিতে বড় আঘাত পান। তবে প্রিন্স ফিলিপ অক্ষত ছিলেন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মিডিয়া এবং মূলধারার মিডিয়ায় ব্যাপক সমালোচনা ওঠে। প্রিন্স ফিলিপকে দুঃখ প্রকাশ করতে বলা হয়।তবে দুঃখ প্রকাশ না করেই তাকে পরে গাড়ি চালাতে দেখা যায়। দুদিন পরে তার এমন গাড়ি চালানোর সময় সিটবেল্ট পরা ছিলেন না। ফলে পুলিশ তাকে সতর্ক করে দেয়। এতে সমালোচনা আরো ধারালো হয়।

 

 

 

 

 

 

দুর্ঘটনার পর ফিলিপ গাড়ি না চালানোর পরামর্শ দেয় পুলিশ। এরপর শনিবার ফিলিপ নিজে থেকেই লাইসেন্স ফিরিয়ে দিয়েছে বলে জানানো হয়। এক বিবৃতিতে বাকিংহাম প্যালেস জানায়, ‘অনেক চিন্তাভাবনা করে এডিনাবারার ডিউক নিজ থেকেই তার লাইসেন্স ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।ব্রিটেনে গাড়ি চালানোর নির্দিষ্ট বয়সসীমা নেই। তবে ৭০ বছরের পর প্রতি তিনবছরে লাইসন্সে নবায়ন করতে হয়।