প্রথমবার্তা,প্রতিবেদকঃ  ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরী সুচিত্রা বিশ্বাসকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। গত শনিবার রাতে ধর্ষিতার মা মিতা রানী বিশ্বাস বাদী হয়ে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০ (সংশোধীত ২০০৩) এর ৭/৯ (১) /৩০ ধারায় একটি মামলা করেন।পুলিশ আসামিদের রবিবার সকালে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে পাঠিয়েছে। প্রতিবন্ধী সুচিত্রা উপজেলার বানুড়িয়া গ্রামের সদানন্দ বিশ্বাসের মেয়ে।

 

 

 

মামলার আসামিরা হলো- বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের পূর্বপাড়ার আব্দুর রহমান উজ্জ্বলের ছেলে সেলিম পাটোয়ারি, বানুড়িয়া গ্রামের নুর আলী ছেলে রাকিব হাসান ও একই গ্রামের হায়দার আলী ছেলে সাঈদ হাসান।মেয়ের মা মিতা রানী বিশ্বাস জানান, গত বুধবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮ টার দিকে বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের আব্দুর রহমান ওরফে উজ্জ্বলের ছেলে সেলিম পানি খাওয়ার কথা বলে তার কাছে একটি গ্লাস চায়। সে সময় বাড়ির আশপাশে আরো ৩/৪ জন যুবক দাঁড়িয়ে ছিল। তিনি সেলিমকে গ্লাস দিয়ে প্রয়োজনীয় কাজে পাশের বাড়ি যান। পরে ফিরে এসে দেখেন তার প্রতিবন্ধী মেয়ে বাড়ির বারান্দায় নেই। পরে অনেক খোঁজাখুজি করে তাকে বাড়ির পাশের একটি বাঁশ বাগানের মধ্যে বিবস্ত্র অবস্থায় পাওয়া যায়।

 

 

 

 

খবর পেয়ে ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সে সময় পুলিশ ৪ জনকে আটক করে এবং সুচিত্রাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইউনুচ আলী বলেন, ধর্ষণের পর পুলিশ ৪ জনকে আটক করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ৩ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের সত্যতা পাওয়া যায়। আশিক নামের অপর যুবকের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া মেয়ের মা বাদী হয়ে উল্লেখিত তিন জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ তাদের জেল-হাজতে পাঠিয়েছে। অপরদিকে ধর্ষিতাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঝিনাইদহ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলেও তিনি জানান।