প্রথমবার্তা,প্রতিবেদকঃ  ফিল্মি ফ্যামিলি থেকে এসেছিলেন। তাই স্ট্রাগল হয়তো অনেকের থেকে কম করতে হয়েছে। কিন্তু একেবারেই যে করতে হয়নি তা তো নয়। সাফল্য পেতে গেলে পরিশ্রমের বিকল্প নেই। এত কষ্ট করে কেরিয়ার দাঁড় করালেন, তারপর আবার কেরিয়ারের মধ্য গগনে বিয়ে করলেন কারিনা কাপুর খান।

 

 

 

 

 

অনেকেই বলেছিলেন, নিজের হাতে নিজের কেরিয়ার ধ্বংস করলেন বেবো। যখন তিনি মা হন, তখনও একই কথা উঠেছিল। কিন্তু নিন্দুকদের কথা মিথ্যে করে দিয়ে সিলভার স্ক্রিনে ফের ফিরলেন তিনি। তাঁর এই বারবার ফিরে আসা অনেক মহিলাকে উদ্বুদ্ধ করবে।

 

 

 

 

বিয়ের পর বেগম হন করিনা। কিন্তু তার জন্য পর্দাসীন থাকেননি তিনি। ক্যামেরার সামনে খোলামেলা পোশাক পরেছেন। পরপুরুষের ঠোঁটে ঠোঁট রেখে চুমুও খেয়েছেন। কিন্তু স্বামী সাইফ কোনও আপত্তি তোলেননি।

 

 

 

 

 

কারিনা মা হওয়ার পর ষোলো আনা সম্ভাবনা ছিল সিনেমা জগত থেকে দূরে সরে যাওয়ার। কিন্তু সেখান থেকেও কামব্যাক করেন কারিনা। তৈমুরের জন্ম দেওয়ার পর করে ফেলেন ‘ভিরে দি ওয়েডিং’-এর মতো একটি ছবি।

 

 

 

 

সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, অভিনেতা বা অভিনেত্রীরা সবার জীবনেই খবু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁরা জনগণের কাছে রোল মডেল। তাই তাঁদের এমন কিছু করা উচিত যাতে সঠিক উদাহরণ তৈরি হয়। সবার কাছে সঠিক বার্তা পৌঁছয়। তিনি নিজে নিজের মতো করে জীবন উপভোগ করছেন।

 

 

 

 

প্রেগন্যান্সির পর বেবি বাম্প নিয়ে তিনি সর্বসমক্ষে এসেছেন, ব়্যাম্প ওয়াক করেছেন। এটি তাঁর কেরিয়ারের অংশ। তাই গর্ভাবস্থাতেও কাজ করেছেন তিনি। কোনও অজুহাতে সরে আসেননি।

 

 

 

 

এমনকী তৈমুর জন্মের পরও তিনি কাজ থেকে বিরাম নেননি। ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনকে সুন্দরভাবে ব্যালেন্স করে গিয়েছেন তিনি। তাঁর এই কাজ মহিলাদের অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে মনে করেন কারিনা।