প্রথমবার্তা, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলার জেলা পরিষদ কর্তৃক নতুন ও পুরাতন সড়কের কাজে ব্যাপক অনিয়ন দূর্নীতি কারণে হতাশায় সচেতন মহল। এসব দেখার যেন কেউ নেই। প্রায় রাস্তারই একই অবস্থা, শুধু নামে মাত্র উন্নয়ন! সরকার কিন্তু ঠিকই জন সাধারনের রাস্তা-ঘাট সহ বিভিন্ন উন্নয়নের জন্য কাজ করছে। জনসাধারনের জন্য মহৎ কাজ ও সরকারের টাকা কিছু অসৎ ব্যাক্তি অবৈধ ভাবে লুটপাট করে অনিয়ম দূর্নীতি করে যাচ্ছে।

 

 

 

 

 

সড়ক ও জনপদ বিভাগের কাজের ঠিকাদারসহ এর পেছনে প্রভাবশালী একটি মহল রাস্তার কাজে দূর্নীতি করছে! একটি রাস্তার কাজ সঠিক ভাবে করা হলে কমপক্ষে ৩ থেকে ৪ বছর ভাল ভাবে জনসাধারন চলফেরা করতে পারবে এতে কোন অসুবিধা হবে না। কিন্তু দূর্নীতির মাধ্যমে উৎকৃষ্ট এক নং ইটের বদলে ব্যবহার করা হচ্ছে দুই তিন নাম্বারের ইট আর কাজ শেষ করেই ঢেকে দেয়া হচ্ছে বালুর স্তর দিয়ে। স্থানীয়রা এ রাস্তার কাজে অনিয়ম দেখে প্রতিবাদ করলেও কোন কাজ হচ্ছে না।

 

 

 

 

 

 

অনেক রাস্তায় অনিয়ম দেখে স্থানীয় লোকজন রাস্তার কাজ বন্ধ করে দেন। কিন্তু শ্রমিকরা রাস্তার এ কাজ জনগনের বাধার তোয়াক্কা না করেই কাজ সম্পন্ন করেছে। কোটচাঁদপুর উপজেলার এই রাস্তাটি হচ্ছে বলুহর গ্রামের জামতলা থেকে রামচন্দ্রপুর মন্দীর পর্যন্ত ২৮০ ফিটের সলিং রাস্তা। এ এলাকার আপামর জনতা সাংবাদিকদের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দেখেন আমাদের সরকারের ভাবমুর্তি নষ্ট করার জন্য জন সাধারন চলাচলের রাস্তার কাজে কি ধরনের পুকুর চুরি করছে! গ্রামগঞ্জের রাস্তার ঘাটের এমন ভাবে যদি কাজ করা হয় তাহলে কি আমাদের বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গিকার কতটুকু করা সম্ভব হবে?

 

 

 

 

 

 

আপনারা লিখুন, সরকার জানুক তার টাকায় সঠিক ভাবে ঠিকাদার কাজ করছে না….। সরকারের ভাবমুর্তির দিকে লক্ষ্য করে অতিবিলম্বে এসব দূর্নীতির দিকে নজর দিয়ে প্রশাসনিক ভাবে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান সচেতন মহলের লোকজন। বলুহর ইউনিয়নের চেয়াম্যান আব্দুল মতিন সাহেব কে রাস্তার বিষয়টি জানালে তিনি বলেন, আমি রাস্তার কাজটি দেখেছি, কিন্তু আপনি সাংবাদিক আপনারা ভাল করে দেখেন কাজটি আমার না।

 

 

 

 

 

 

জেলা পরিষদের কাজ জেলার পরিষদই দেখবে। জেলা পরিষদ ঝিনাইদহে কথা বললে ওখান থেকে প্রতিবেদক কে জানান ১নং ইটের কাজ এখানে কোন দূর্নীতি কে কোন ছাড় দেয়া হবে না। এ দিকে রাস্তার বিষয়টি কোটচাঁদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা স্যারের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, বিষয়টি আমি দেখছি।