প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:  বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে তার রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে বলে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. মামুনের বরাত দিয়ে বিএনপি নেতা তাইফুল ইসলাম টিপু জানিয়েছেন।তবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক জিলন মিয়া সরকার শনিবার রাতে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সুস্থ হয়ে উঠছেন। তার রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা কমেছে। হাত ও পায়ের ব্যথাও কমতে শুরু করেছে।

 

 

 

 

শনিবার রাতে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় বিএসএমএমইউ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গঠিত মেডিকেল বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক ডা. জিলন মিয়া সরকার।গত ১ এপ্রিল খালেদা জিয়াকে বিএসএমএমইউতে ভর্তি করা হয়েছে। এরই মধ্যে কেটে গেছে ১৩দিন। কেমন আছেন খালেদা জিয়া- এমন প্রশ্নের জবাবে মেডিকেল বোর্ডের প্রধান জিলন মিয়া সরকার জানান, শনিবার দুপুর আড়াইটায় কেবিন ব্লকের ষষ্ঠ তলার ৬২১ নম্বর রুমে তিনিসহ বোর্ডের সদস্যরা দেখতে গিয়েছিলেন খালেদা জিয়াকে। তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। রুটিন করে খাওয়া-দাওয়া ও ঘুমের কারণে রক্তের গ্লুকোজের পরিমাণ কমে এসেছে। এখন এটা ধরে রাখতে হবে।

 

 

 

 

তিনি আরো জানান, হাত ও পায়ের ব্যথা পর্যায়ক্রমে কমে আসছে। নিয়মিত থেরাপি দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসকদের প্রচেষ্টায় তার কথা কমছে।তিনি বলেন, শুক্রবার বন্ধের কারণে খালেদা জিয়াকে দেখতে যেতে পারেননি। তাই শনিবার দুপুরে তাকে দেখতে গিয়েছিলেন। ভর্তির পর থেকে নিয়মিত চিকিৎসা দেওয়ায় তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হতে শুরু করেছে।গত ১ এপ্রিল খালেদা জিয়াকে পুরান ঢাকার পরিত্যক্ত কারাগার থেকে বিএসএমএমইউতে ভর্তি করা হয়। এর আগে গত ২৮ মার্চ অধ্যাপক ডা. জিলন রহমান মিঞাকে প্রধান করে মেডিকেল বোর্ড গঠন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

 

 

 

 

বোর্ডের অন্য সদস্যরা হলেন, রিউমোটোলজি বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ আতিকুল হক, কার্ডিওলজি বিভাগের ডা. তানজিমুল পারভীন, ফিজিক্যাল অ্যান্ড মেডিসিন বিভাগের ডা. বদরুন্নেসা আহমেদ এবং অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক চৌধুরী ইকবাল মাহমুদ। এ ছাড়া বোর্ডে আরও রয়েছেন খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. মামুন।খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. মামুনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।