প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:  প্রাণের উচ্ছ্বাসে বছর ঘুরে আসে পহেলা বৈশাখ। প্রতিবার এই দিনকে ঘিরে বাঙালি জাতি আয়োজন করে বিভিন্ন অনুষ্ঠান।পহেলা বৈশাখে পান্তা ইলিশ খাওয়া বাঙালির যেনো নিয়মে পরিণত হয়েছে। পান্তা ইলিশ ছাড়া পহেলা বৈশাখ উদযাপন স্বাদহীন মনে করেন এ সময়ের বাঙ্গালীরা। এমন চিন্তাভাবনার মধ্যেও নববর্ষে কিছু জনগণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইলিশ না খাওয়ার।

 

 

 

 

 

জানা যায়, মার্চ-এপ্রিল এ দুই মাস ইলিশ সম্পদ রক্ষায় ভোলার মেঘনা-তেতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকাসহ উপকূলীয় পাঁচটি অভয়াশ্রমে সকল ধরনের মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সরকার। আর সরকারের এ আদেশ পালনের লক্ষ্যে পহেলা বৈশাখে পান্তা ভাতের সাথে ইলিশ না খাওয়ার জন্য এক ব্যতিক্রমী ক্যাম্পেইন ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

 

 

 

শনিবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে ভোলা সরকারি কলেজে ‘আমরা পান্তা ইলিশ খাব না’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কলেজ শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ ক্যাম্পেইন ও র‌্যালি হয়।ওয়ার্ল্ড ফিশ, ইকোফিশ-বাংলাদেশ ও মৎস অধিদপ্তর এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।অনুষ্ঠানে ভোলা সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা আসাদুজ্জামানের সভাপত্বিতে প্রধান অতিথি ছিলেন ভোলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ গোলাম জাকারিয়া।

 

 

 

 

 

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশের রিসার্স অ্যাসোসিয়েট অংকুর মোহাম্মদ ইমতিয়াজ, ভোলার খামার ব্যবস্থাপক জাকির হোসেন, ভোলা সরকারি কলেজের শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জামাল হোসেন, রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাইনুল হোসেন, ইকোফিশ-বাংলাদেশ রিসার্চ এসিস্টেন্ট সাইফুল হক প্রমুখ।

 

 

 

 

 

 

পরে ‘নববর্ষে পান্তা-ইলিশ সৃষ্টিশীল কৃষ্টি নয়, ইলিশটাকে বাড়তে দিলেই ঐতিহ্যটা রক্ষা হয়’, ‘ইলিশ মাছ আমাদের জাতীয় সম্পদ আসুন আমরা সবাই মিলে এ সম্পদ রক্ষা করি’ এই ধরনের নানা স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে র‌্যালি বের করা হয়।র‌্যালি শেষে বাংলা নববর্ষে ইলিশ মাছ খাবে না ও কাউকে খেতে দিবে না ও ইলিশ মাছকে জাতীয় সম্পদে রূপান্তর করার জন্য সকল শিক্ষার্থী শপথ গ্রহণ করেন।