প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:  নির্দিষ্ট সময়ের আগে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে আম বিক্রি করা হলে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিপক্ব হওয়ার আগে অস্বাস্থ্যকর ও অসাধু উপায়ে আম পাকিয়ে বাজারে যেন বিক্রি করা না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক আছে র‌্যাব। এ জন্য শুরু হয়েছে বাজারে নজরদারি। ব্যবসায়ীদের সচেতন থাকতে পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে।

 

 

 

 

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে কারওয়ান বাজার ফল ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে র‌্যাব-২ কর্মকর্তাদের বৈঠকে এসব তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে বিভিন্ন মেয়াদের আম বিক্রির সময় নির্ধারণ করা হয়। আগামী ২৩ মের আগে গুটি আম, ২৩ মের পরে হিমসাগর ও জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে বাজারে ল্যাংড়া আম বিক্রি হবে বলে জানানো হয়েছে। বৈঠকে ব্যবসায়ী নেতারা এ বছর কোনো ধরনের ভেজালযুক্ত আম কারওয়ান বাজারে ঢুকতে দেবেন না বলে অঙ্গীকার করেন। আমের বাজারে ফরমালিন দেওয়া রুখতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তা করবেন বলেও তাঁরা জানান।

 

 

 

 

 

বৈঠকে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম উপস্থিত ছিলেন। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা ব্যবসায়ীদের বাজারে ফল বিক্রির সময় জানিয়েছি। ভেজাল ফল যাতে না বিক্রি হয় সে বিষয়ে বলেছি। র‌্যাবের মনিটরিং অব্যাহত থাকবে। কোনো ধরনের ভেজাল পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 

 

 

 

 

বৈঠকে কারওয়ান বাজার ফল ব্যবসায়ী সমিতির সহসভাপতি ফিরোজ আলম তালুকদার বলেন, ‘ফরমালিন বা কোনো বিষ যাতে আমে না মেশানো হয়, সে বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য র‌্যাবের সঙ্গে এই বৈঠক হয়। ঢাকাতে আসলে ফরমালিন দেওয়া হয় না। চাষিরা যাতে আম আনার আগে ফরমালিন মিশিয়ে না দেয় আমরা তাদের সে বিষয়ে জানিয়ে দিয়েছি।’

 

 

 

 

 

এই ব্যবসায়ী নেতা জানান, এখন গুটি, গোবিন্দভোগ, গোপালভোগ এই আমগুলো বাজারজাত করা যাবে। ২২ মের পরে সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, যশোর এলাকার হিমসাগর এবং জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে ল্যাংড়া আম বাজারজাত করা যাবে। সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, যশোরের আম একটু আগে বাজারে আসে বলে জুনের প্রথম সপ্তাহে হিমসাগর বাজারজাত করা যাবে। এরপর রাজশাহীর আম মার্কেটে আসে বলে দ্বিতীয় সপ্তাহে বাজারজাত করা হবে।